
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ভোলা থেকে মোবাইল ফোনে ডেকে এনে শাকিল (২৫) নামে এক চাকরিপ্রত্যাশী যুবককে অপহরণের পর মারধর করে মুক্তিপণ আদায়ের সময় সাহাদাত (২৮) নামে এক অপহরণকারীকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা। এ সময় জনতার উপস্থিতি টের পেয়ে অপহরণকারী চক্রের আরও দুই সদস্য রাব্বি ও আক্তার কৌশলে পালিয়ে যায়।
পলাতক অপহরণকারী রাব্বি বন্দর উপজেলার ঘারমোড়া এলাকার মৃত মোস্তফা মিয়ার ছেলে। অপর পলাতক আসামি আক্তার মদনগঞ্জ লক্ষারচর পায়রাচত্বর এলাকার মৃত চারু মিয়ার ছেলে। উদ্ধার হওয়া চাকরিপ্রত্যাশী যুবক শাকিল ভোলা জেলার দৌলতখান উপজেলার দুলারহাট থানার আহাম্মদপুর এলাকার সোলেমান মিয়ার ছেলে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শাকিল বাদী হয়ে ঘটনার দিন দুপুরে আটক সাহাদাত এবং পলাতক রাব্বি ও আক্তারের নাম উল্লেখ করে বন্দর থানায় মামলা দায়ের করেন।
এর আগে বুধবার (১৭ জুন) সকাল সাড়ে ৮টায় বন্দর উপজেলার ঘারমোড়া এলাকার ইমান শরীফের আমবাগান থেকে চাকরিপ্রত্যাশী যুবককে উদ্ধার এবং সাহাদাতকে আটক করে স্থানীয় জনতা। পরে বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়।
ভুক্তভোগী শাকিল একটি গণমাধ্যমকে জানান, অপহরণকারী চক্রের সদস্য সাহাদাতের সঙ্গে তার মোবাইল ফোনে পরিচয় হয়। গত রোববার (১৪ জুন) সাহাদাত জাহাজে ওয়েল্ডিং কাজের প্রলোভন দেখিয়ে তার ব্যবহৃত ০১৭৮৫৬০০৫৪০ নম্বর থেকে শাকিলের ০১৩৪৬৭২০৪৪২ নম্বরে ফোন করেন এবং তাকে বন্দরে আসতে বলেন।
শাকিল জানান, সাহাদাতের কথামতো চাকরির আশায় বুধবার সকাল ৮টার দিকে বন্দরের ঘারমোড়া এলাকার ইমান শরীফের আমবাগানে গেলে সাহাদাত, রাব্বি ও আক্তার তাকে অপহরণ করে। পরে মুক্তিপণ আদায়ের চেষ্টা করার সময় স্থানীয় জনতা সাহাদাতকে আটক করতে সক্ষম হয়। তবে রাব্বি ও আক্তার পালিয়ে যায়। পরে জনতা অপহরণকারীদের কবল থেকে তাকে উদ্ধার করে।