
খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উম্মে তাহমিনা মিতু বলেছেন, কৃষিই হচ্ছে দেশের অর্থনীতির মূল ভিত্তি। কৃষি যেন কোন ভাবেই থেমে না যায়,সে জন্য সরকার কিছু দিন পর পর ক্ষুদ্র ও প্রান্তিকদের কৃষি প্রনোদনা দিয়ে যাচ্ছে। এ লক্ষ্যে বন্যায় ক্ষতি গ্রস্থ প্রণোদনার আওতায় শাক সবজিকেও অন্তরভুক্ত করা হয়েছে। শাক সবজি চাষের জন্য বীজ ও সার সহ প্রয়োজনীয় উপকরণ পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা দেয়া হচ্ছে। যাতে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা কোন ভাবেই কৃষি বিমুখ না হয়।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরের উপজেলা কৃষি অফিস চত্বরে আয়োজিত ২০২৫-২৬ অর্থবছরের কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে আমন ধানের বীজ, গ্রীষ্মকালীন শাক-সবজির বীজ, সার ও অন্যান্য কৃষি উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠান উদ্বোধন শেষে প্রধান অিতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
দেশের উন্নয়নে কৃষকের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি আরো বলে,কৃষি খাতে সফল হলেই দেশ উন্নত হবে। সরকার সফল হবে। তাই প্রনোদোনার সঠিক ব্যবহার করে অধিক ফলন নিশ্চিত করতে কৃষকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
কৃষি অফিস সূত্রে জানানো হয়, উপজেলার ৪০০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের প্রত্যেককে সাত ধরনের গ্রীষ্মকালীন সবজির বীজের পাশাপাশি ১৫ কেজি করে ডিএপি ও এমওপি সার প্রদান করা হয়েছে। এ ছাড়া সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫০০ জন কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে পাঁচ কেজি করে আমন ধানের বীজ বিতরণ করা হয়। সব মিলিয়ে উপজেলার প্রায় ৯০০ কৃষক এই কর্মসূচির আওতায় উপকৃত হয়েছেন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. শাহাবুদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বদিউল আলম, পৌর বিএনপির সভাপতি শাহজালাল কাজল এবং উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান প্রমুখ।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. সেলিম রানা, উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মো. ইউনুছ নূরসহ কৃষি বিভাগের অন্যান্য কর্মকর্তা কর্মচারীরা।