
জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সচিবালয়ের সামনে মব সৃষ্টি করেছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। তার দাবি, বিদেশি অতিথিদের উপস্থিতিতে সরকারি কর্মসূচিগুলোকে ঘিরে এমন পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে, যার সুযোগ নিয়ে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ আবারও রাজনীতিতে ফেরার চেষ্টা করতে পারে।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) বিকেলে ঝিনাইদহ সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
রাশেদ খাঁন বলেন, গণঅভ্যুত্থানের সময়ও সচিবালয়ে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। কিন্তু বৃহস্পতিবার ‘সচিবালয় ঘেরাও’ কর্মসূচির নামে সেখানে মব সৃষ্টি করা হয়েছে। তার ভাষায়, জামায়াত একটি হঠকারী দল এবং সুযোগ পেলে তারা ১০ মিনিটের মধ্যেই সচিবালয়ের অধিকাংশ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে বের করে দেবে।
তিনি আরও বলেন, গত ৫ আগস্ট জাতীয় কর্মসূচির সময় বিদেশি কূটনীতিকদের উপস্থিতিতে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বেও আরেকটি মব তৈরি করা হয়েছিল। তার অভিযোগ, বিদেশি কূটনীতিকদের সামনে এ ধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টি করে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ যদি আবার ফিরে আসে, তাহলে তা জামায়াত ও এনসিপির মাধ্যমেই ফিরে আসবে। আর আওয়ামী লীগ ফিরে এলে আমাদেরও মারবে, তাদেরও মারবে।
রাশেদ খাঁন বলেন, তারা এক সপ্তাহের মধ্যে সরকারের পতন ঘটাতে চায়। তিনি মন্তব্য করেন, জামায়াত ভুলে গেছে যে তারা স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি। তাই তারা কখনোই দেশের ক্ষমতায় যেতে পারবে না। তার মতে, ক্ষমতায় যেতে হলে জামায়াত ও এনসিপিকে অন্তত ১০ বছর বিরোধী দলে থাকতে হবে।
রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে রাশেদ খাঁন বলেন, এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজেই গণমাধ্যমকে জানাবেন।