
কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে দোকানপাট খোলার সময় বাড়িয়ে গভীর রাত পর্যন্ত বাণিজ্যের সুযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন দেশের ব্যবসায়ীরা। তাদের মতে, নির্ধারিত সময়ের আগে দোকান বন্ধ হওয়ায় বিক্রিতে বড় ধরনের ক্ষতি হচ্ছে।
ব্যবসায়ীদের দাবি, বৈশাখ মৌসুমে এবার প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকার পণ্য বিক্রির লক্ষ্য থাকলেও বাস্তবে বিক্রি হয়েছে প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকার পণ্য। এতে বড় অঙ্কের পণ্য অবিক্রিত রয়ে গেছে।
বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. আরিফুর রহমান টিপু বলেন, সন্ধ্যায় দোকান বন্ধের সিদ্ধান্তের কারণে বিক্রি প্রায় ৫০ শতাংশ কমেছে। ঈদের আগে অন্তত এক মাস দোকান খোলার সময় বাড়ানোর দাবি জানান তিনি। তার প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রথম ১৫ দিন রাত ১০টা পর্যন্ত এবং পরে ১২টা–১টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখা যেতে পারে।
ফ্যাশন হাউজ ‘সাদাকালো’-এর উদ্যোক্তা ও ফ্যাশন এন্টারপ্রেনিউরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (এফইএবি) সভাপতি আজহারুল হক আজাদ বলেন, সন্ধ্যার পর দোকান বন্ধের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন। এতে ব্যবসায়ীরা বড় ক্ষতির মুখে পড়ছেন বলে তিনি দাবি করেন।
অন্যদিকে বিশ্বরঙ-এর কর্ণধার বিপ্লব সাহা বলেন, দোকান খোলার সময় কম থাকায় অনেক ব্যবসায়ী ঠিকভাবে শোরুম পরিচালনা করতে পারছেন না। এতে ক্রেতা কমে যাওয়ার পাশাপাশি ব্যবসায়িক ক্ষতিও বাড়ছে।
ব্যবসায়ীদের মতে, ঈদের আগে ক্রেতাদের চাপ বেশি থাকে সন্ধ্যার পর থেকে রাত পর্যন্ত। তাই সময় বাড়ানো না হলে ব্যবসার ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া কঠিন হবে বলে তারা মনে করছেন।