.jpg)
দেশের শীর্ষ তিন আর্থিক প্রতিষ্ঠান- জনতা ব্যাংক পিএলসি, রূপালী ব্যাংক পিএলসি ও সোনালী ব্যাংক পিএলসি'র ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের (সিইও) চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিলের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে পৃথক তিনটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের ১৯ অক্টোবর ২০২৬ তারিখের প্রকাশিত প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, জনতা ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মজিবুর রহমানের সঙ্গে পরিচালনা পর্ষদের সম্পাদিত চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিলের জন্য সরকার নির্দেশক্রমে সুপারিশ জানিয়েছে। একই দিনে জারি করা পৃথক চিঠিতে রূপালী ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মো. ওয়াহিদুল ইসলামের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিলের বিষয়েও সরকারের নির্দেশনাসহ সম্মতি জানানো হয়।
অর্থ মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট আর্থিক বিভাগের তৃতীয় চিঠিতে- সোনালী ব্যাংক পিএলসি'র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ শকত আলী খানের সাথে পরিচালনা পর্ষদের সম্পাদিত চুক্তিভিত্তিক নিয়োগেরও অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিলের সম্মতি ও নির্দেশনা জানানো হয়েছে।
আর্থিক বিভাগের জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ব্যাংক কোম্পানি আইন ও পরিচালনা পর্ষদের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তিপত্র অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট তিন ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদকে পরবর্তী বিধিগত কার্যক্রম গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়েছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক-১ শাখা থেকে প্রজ্ঞাপনগুলো জারি করা হয়। প্রজ্ঞাপনে আর্থিক প্রতিষ্ঠানটির উপসচিব আফরোজা আক্তার রিবা স্বাক্ষর করেন।
সরকারের এই পদক্ষেপের ফলে জনতা-রূপালী ও সোনালী ব্যাংকের শীর্ষ নেতৃত্বে পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে চিঠিতে নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিলের বিষয়ে সরকারের সম্মতি বা সুপারিশের কথা বলা হলেও, সংশ্লিষ্ট পরিচালনা পর্ষদ পরবর্তী কী সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এ সংক্রান্ত কোনো তথ্য উল্লেখ নেই।
রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন তিন ব্যাংকের শীর্ষ নির্বাহীদের নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিলের বিষয়ে পরিচালনা পর্ষদের পরবর্তী সিদ্ধান্ত এবং আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমের ওপরই এখন নজর।