
গাজা, লেবানন ও ইরান—একাধিক ফ্রন্টে ধারাবাহিক সামরিক অভিযানের চাপ ইসরায়েলি বাহিনীকে বিপদের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। অতিরিক্ত দায়িত্ব ও জনবল সংকটে বাহিনী ‘ভেতর থেকেই ভেঙে পড়তে পারে’—এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন দেশটির সেনাপ্রধান।
লেফটেন্যান্ট জেনারেল ইয়াল জামির সতর্ক করে জানিয়েছেন, ক্রমবর্ধমান মিশনের চাপ এবং পর্যাপ্ত জনবলের অভাবে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী (আইডিএফ) গুরুতর ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। মন্ত্রীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তিনি ইতোমধ্যে তাদের সামনে ১০টি সতর্ক সংকেত তুলে ধরেছেন।
কাতারভিত্তিক এক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে সেনাপ্রধানকে উদ্ধৃত করে বলা হয়, আইডিএফের কার্যকারিতা ধরে রাখতে এখন বাধ্যতামূলক সামরিক সেবা আইন, রিজার্ভ ডিউটি আইন এবং সেবার মেয়াদ বাড়ানোর মতো পদক্ষেপ জরুরি হয়ে পড়েছে। এসব আইন বাস্তবায়ন না হলে অদূর ভবিষ্যতে বাহিনী নিয়মিত অভিযান পরিচালনার সক্ষমতা হারাতে পারে এবং রিজার্ভ ব্যবস্থাও টেকসই থাকবে না।
২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে গাজায় যুদ্ধবিরতির পর ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা বন্ধ ছিল। এর আগে ফিলিস্তিনিদের সমর্থন এবং ইসরায়েলের ওপর চাপ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে তারা নিয়মিত হামলা চালাত। দীর্ঘ বিরতির পর নতুন করে হামলা শুরু হওয়াকে সংঘাতের একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে দেখা হচ্ছে।
অন্যদিকে, লেবানন সীমান্তে সরকারের সামরিক কৌশল নিয়েও ইসরায়েলের ভেতরে প্রশ্ন উঠছে। সেনাপ্রধান দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতের কারণে সৈন্যদের মানসিক ও শারীরিক সক্ষমতা হ্রাস পাওয়ার বিষয়েও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।