
ইরানের সঙ্গে চুক্তি হোক বা না হোক যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চান এই সংঘাত দ্রুততম সময়ে শেষ হোক। এই আশ্বাসের পর আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে উল্লেখযোগ্য পতন দেখা দিয়েছে। ব্রেন্ট ক্রুড এখন ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের নিচে নেমে ৯৯.৩২ ডলারে লেনদেন হচ্ছে।
একই সঙ্গে ইউরোপের শেয়ারবাজারে ইতিবাচক সাড়া দেখা দিয়েছে; লন্ডনের এফটিএসই ১০০ সূচক ১.৭ শতাংশ বেড়েছে, জার্মানির ডিএএক্স সূচক ২.৫ শতাংশ উর্ধ্বমুখী এবং ফ্রান্সের সিএসি ৪০ সূচক ২.১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
বিশ্লেষকরা জানান, গত পাঁচ সপ্তাহ ধরে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল ও ইরানের সংঘর্ষ তেলের বাজারে ব্যাপক অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে যুদ্ধের শুরুতে হরমুজ প্রণালিতে সাময়িকভাবে অবরোধ চালানো সরবরাহে বড় ধরনের উদ্বেগ তৈরি করেছিল।
তবে বর্তমান পতনের পরও দাম যুদ্ধ শুরুর আগে তুলনায় প্রায় ৩৯ শতাংশ বেশি রয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং চলমান সংঘাতের গতি আগামী দিনের তেলের বাজারের দিক নির্ধারণ করবে।