
নারীদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিলেই বাংলাদেশ দল পাবে অন্তত ৩ কোটি ৫ লাখ টাকা, এমন রেকর্ড প্রাইজমানি ঘোষণা করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল। আসন্ন এই আসর বসছে ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে, আর শুরুর আগে থেকেই অর্থের অঙ্কে নতুন উচ্চতায় উঠেছে নারী ক্রিকেট।
আগামী আসরে দলসংখ্যা বাড়িয়ে করা হয়েছে ১২, যেখানে গতবার ছিল ১০ দল। সেই সঙ্গে প্রাইজমানিও বেড়েছে প্রায় ১০ শতাংশ, মোট বরাদ্দ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১০৮ কোটি টাকায়। ফলে অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দলই বড় অঙ্কের অর্থ নিশ্চিত করছে, ম্যাচ না জিতলেও মিলছে এই ন্যূনতম প্রাপ্তি।
টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন দল পাবে প্রায় ২৮ কোটি ৮০ লাখ টাকা, আর রানার্সআপের ঝুলিতে যাবে ১৪ কোটি ৪০ লাখ টাকার বেশি। সেমিফাইনালে হেরে বিদায় নেওয়া দুই দল পাবে উল্লেখযোগ্য অর্থ, আর গ্রুপপর্বে প্রতিটি ম্যাচ জয়ের জন্যও রাখা হয়েছে আলাদা পুরস্কার। অর্থাৎ পারফরম্যান্স যত ভালো, আয়ের অঙ্ক তত বড়।
আইসিসির প্রধান নির্বাহী সঞ্জোগ গুপ্ত একটি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘নারী ক্রিকেট দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে, আর এই বিশ্বকাপের প্রাইজমানি সেটারই প্রতিফলন। আমরা চাই প্রতিযোগিতা আরও জমে উঠুক এবং বিশ্বজুড়ে খেলাটির বিস্তার ঘটুক।’
সব মিলিয়ে মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি এবার বিশ্বকাপে থাকছে অর্থেরও বড় প্রতিযোগিতা, যেখানে শুরুতেই বাংলাদেশ পাচ্ছে কোটি টাকার স্বস্তি।