
ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেও সরাসরি সামরিক সংঘাতে জড়ানোর কোনো প্রয়োজন দেখছে না তুরস্ক। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বলেছেন, নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক সুবিধা পেতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ও তার ঘনিষ্ঠরা উসকানিমূলক বক্তব্য দিচ্ছেন। তবে তুরস্ক সেই কৌশলে পা দেবে না।
শনিবার (১১ জুন) সংবাদমাধ্যম দ্য ন্যাশনাল-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন হাকান ফিদান।
গত কয়েকদিন ধরে ইসরায়েল ও তুরস্কের কর্মকর্তাদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি বক্তব্যের প্রেক্ষাপটে তিনি বলেন, “আমি মনে করি ইসরায়েলের সঙ্গে সরাসরি যুদ্ধে জড়ানোর কোনো কারণ আছে। আমি আগেই বলে আসছি, যখনই নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে আসে আমি যখনই ইসরায়েলি সরকারি ও বিরোধী রাজনীতিকদের থেকে এ ধরনের হুমকিমূলক কথা শুনে থাকি। যদিও সব বিরোধী রাজনীতিকরা এমন কথা বলেন না। আল্লাহকে ধন্যবাদ ইসরায়েলে এখনো কিছু বোধসম্পন্ন ও বুদ্ধিমান মানুষ আছে।”
তিনি আরও বলেন, “তাদের সবাই নেতানিয়াহু ও তার কিছু লোকের মতো নয়। কিন্তু নেতানিয়াহু ও তার কাছের মানুষদের নির্বাচন ঘনিয়ে আসলে শত্রুর প্রয়োজন হয়। তারা হামাস হিজবুল্লাহ এবং ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত ছিল। এখন তাদের আরেকটি শত্রু দরকার। আর অনেক ইসরায়েলি রাজনীতিবিদের জন্য নতুন শত্রু হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে তুরস্ক।”
হাকান ফিদানের বক্তব্যে স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে, ইসরায়েলের সঙ্গে বর্তমান উত্তেজনা থাকা সত্ত্বেও তুরস্ক সরাসরি যুদ্ধে জড়ানোর কোনো পরিকল্পনা করছে না। তার দাবি, নির্বাচনী রাজনীতির কারণে ইসরায়েলের একটি অংশ ইচ্ছাকৃতভাবে নতুন প্রতিপক্ষ তৈরি করার চেষ্টা করছে, তবে আঙ্কারা সেই পরিস্থিতিকে সংঘাতে রূপ দিতে আগ্রহী নয়।