
অর্থনৈতিক চাপ অব্যাহত থাকলে ইরান শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তিতে যেতে বাধ্য হবে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। একই সঙ্গে ইরান যাতে নতুন করে পারমাণবিক স্থাপনা নির্মাণ করতে না পারে, সেটিই ওয়াশিংটনের প্রধান লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন তিনি। খবর সামাটিভির।
ভ্যান্স বলেন, ইরানকে এখন সিদ্ধান্ত নিতে হবে—তারা অর্থনৈতিক চাপের মধ্যে থাকতে চায়, নাকি পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে নিজেদের সম্পর্ক উন্নত করতে চায়।
তিনি আরও বলেন, গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের সুযোগ ইরানের আর নেই। এই জলপথ দিয়ে জ্বালানি সরবরাহ যাতে নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন থাকে, তা নিশ্চিত করা জরুরি বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের দাবি, হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণও এখন আর নেই।
এদিকে ইরানের বিরুদ্ধে ‘ইতিহাসের সবচেয়ে কঠোর নিষেধাজ্ঞা’ আরোপের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট। তার মতে, ইরানের ওপর সর্বোচ্চ মাত্রার অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগ করা গেলে দেশটির বিরুদ্ধে নতুন করে বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালানোর প্রয়োজন কমে যেতে পারে।
সংবাদমাধ্যমকে বেসেন্ট বলেন, ‘তেলের দাম কেন হঠাৎ বেড়ে গেল, তা আমি নিশ্চিত নই। আমরা যদি সর্বোচ্চ অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগ করি, তাহলে সম্ভবত বড় ধরনের সামরিক অভিযান (কাইনেটিক) নতুন করে শুরু করার প্রয়োজন হবে না।’
‘কাইনেটিক’ শব্দটি ব্যবহার করে তিনি সামরিক শক্তি প্রয়োগের বিষয়টি বোঝান।
বেসেন্ট আরও জানান, আগামী সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে ইরানের বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা প্যাকেজের বিস্তারিত তুলে ধরা হবে।