
গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গোর (ডিআর কঙ্গো) দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ১৩ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে দেশটির সামরিক বাহিনীর তিন কর্মকর্তা রয়েছেন। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) কোয়াঙ্গো প্রদেশের কেনগে এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিমানটি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর কিকউইত থেকে রাজধানী কিনশাসার দিকে যাচ্ছিল। পথে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলে পাইলট কেনগেতে জরুরি অবতরণের চেষ্টা করেন। তবে সেখানে কোনো অবতরণ-সুবিধা বা রানওয়ে না থাকায় বিমানটি একটি আবাসিক এলাকায় বিধ্বস্ত হয়।
কোয়াঙ্গো প্রদেশের ডেপুটি গভর্নর রেমি সাকি বোকিন্ডার বরাতে রয়টার্স জানায়, বিমানে থাকা কেউই বেঁচে নেই। দুর্ঘটনায় ১২ জনের মরদেহ এতটাই পুড়ে গেছে যে তাদের শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়েছে। পাইলটের মরদেহ বিমানটির বাইরে পাওয়া যায়।
নিহতদের মধ্যে সেনাবাহিনীর অডিটর জেনারেল জেনারেল লিকুলিয়া বাকুমিও ছিলেন। এ ছাড়া একজন মেজর, একজন ক্যাপ্টেন, অন্যান্য সামরিক সদস্য এবং বেসামরিক নাগরিকও বিমানে ছিলেন বলে জানান ডেপুটি গভর্নর।
এদিকে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম রেডিও ওকাপি জানিয়েছে, দুর্ঘটনাটি কেনগে শহরের একটি আবাসিক এলাকায় ঘটে এবং বিমানে সামরিক কর্মকর্তারাও ছিলেন।
দুর্ঘটনার কারণ জানতে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। কঙ্গোর বিমান দুর্ঘটনা তদন্ত কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে তদন্ত করবে বলে সরকারি বিবৃতির বরাতে জানিয়েছে রয়টার্স।
তবে দুর্ঘটনার কয়েক ঘণ্টা পর স্থানীয় কর্তৃপক্ষ নিহতের সংখ্যা ১৭ জনে উন্নীত হওয়ার কথা জানিয়েছে বলে কঙ্গোর সংবাদমাধ্যম Actualite.cd ও LePotentiel জানিয়েছে। ফলে নিহতের চূড়ান্ত সংখ্যা নিয়ে এখনো তথ্যের পার্থক্য রয়েছে।