
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে আলোচনায় এসেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা, তবে এবার কোনো রাজনৈতিক ইস্যু নয়, বরং এক টুকরো মজার অথচ তাৎপর্যপূর্ণ কথোপকথনে।
সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে ব্যালে নৃত্যশিল্পী ও জেন-জি প্রজন্মের তরুণী মুবাশশিরা কামাল ইরা তাকে ‘ব্যাডি’ বলে সম্বোধন করেন, আর সেই একটি শব্দই খুলে দিয়েছে নতুন আলোচনার দরজা।
ভিডিওতে দেখা যায়, ‘ব্যাডি’ শব্দটি শুনে প্রথমে খানিকটা বিস্মিত হন রুমিন ফারহানা। এরপর এর অর্থ জানতে চাইলে ইরা ব্যাখ্যা করেন, জেন-জি ভাষায় ‘ব্যাডি’ কোনো নেতিবাচক শব্দ নয়। বরং এটি এমন একজন নারীকে বোঝায়, যিনি আত্মবিশ্বাসী, স্টাইলিশ এবং নিজের ব্যক্তিত্ব দিয়ে অন্যদের অনুপ্রাণিত করেন। যেন শব্দটি বাহ্যিকভাবে কঠিন হলেও ভেতরে লুকিয়ে আছে প্রশংসার কোমল সুর।
কথোপকথনের এক পর্যায়ে ইরা জানান, রুমিন ফারহানার কথা বলার ধরন, আত্মবিশ্বাসী উপস্থিতি এবং ব্যক্তিত্ব তাকে তরুণদের কাছে এক ধরনের ‘আইকন’-এ পরিণত করেছে। তাই ভালোবাসা থেকেই তারা তাকে ‘ব্যাডি’ বলে ডাকেন। পুরোনো প্রজন্মের ভাষা আর নতুন প্রজন্মের শব্দচয়ন এখানে যেন একই নদীর দুই স্রোত হয়ে মিলেছে।
পুরো বিষয়টি রুমিন ফারহানা নেন হাস্যরসের সঙ্গে। নতুন এই স্ল্যাংয়ের অর্থ জেনে তিনি আনন্দ প্রকাশ করেন, যা কথোপকথনটিকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে। মুহূর্তটি হয়ে ওঠে এক ধরনের প্রজন্মের সংলাপ, যেখানে আনুষ্ঠানিকতার দেয়াল ভেঙে জায়গা করে নেয় সহজ বোঝাপড়া।
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর নেটিজেনদের মধ্যেও শুরু হয়েছে আলোচনা। অনেকেই বলছেন, সময়ের সঙ্গে ভাষা বদলায়, আর সেই বদলে যাওয়া শব্দগুলোই নতুনভাবে সম্মান আর প্রশংসার সংজ্ঞা তৈরি করে। ‘ব্যাডি’ও তেমনই এক শব্দ, যা নেতিবাচক শোনালেও আসলে আত্মবিশ্বাস আর ব্যক্তিত্বের এক উজ্জ্বল প্রতীক।