
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ভোট পড়েছে ৫৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টায় এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
ইসির জনসংযোগ শাখার পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক জানান, সব কেন্দ্রের ভোট গণনা সম্পন্ন হওয়ার পর চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী এ ভোটের হার নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে ইসি জানিয়েছিল, অধিকাংশ আসনে পোস্টাল ভোট যুক্ত থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে ভোটের হার প্রকাশ করলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই গণনা শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে হার জানানো হবে বলে জানানো হয়।
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে সারা দেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ শুরু হয়। বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ চলে। এবার ৩০০ সংসদীয় আসনের মধ্যে শেরপুর-৩ আসন বাদে ২৯৯টি আসনে ভোট অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর এক প্রার্থীর মৃত্যুতে ওই আসনের নির্বাচন বাতিল করে ইসি।
এবারের নির্বাচনে অংশ নেয় ৫১টি রাজনৈতিক দল। মোট প্রার্থী ছিলেন ২ হাজার ৩৪ জন, যার মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী ২৭৫ জন। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রার্থী দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)—২৯১ জন। এছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ২৫৮ জন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ২২৯ জন, জাতীয় পার্টি ১৯৮ জন এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি ৩২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
ভোটার সংখ্যার দিক থেকেও এবারের নির্বাচন ছিল বড় পরিসরের। মোট ভোটার ছিলেন ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ১৫৪ জন, নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ৫২৫ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১ হাজার ২২০ জন। সর্বনিম্ন ভোটার ছিল ঝালকাঠি-১ আসনে ২ লাখ ২৮ হাজার ৪৩১ জন এবং সর্বোচ্চ ভোটার ছিল গাজীপুর-২ আসনে ৮ লাখ ৪ হাজার ৩৩৩ জন।