
২০০৯ সালের পিলখানা বিদ্রোহে আত্মোৎসর্গকারী বীর সেনা কর্মকর্তাদের স্মৃতি ও আত্মার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে তিনি তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানকে সাথে নিয়ে রাজধানীর বনানী সামরিক কবরস্থানে যান এবং শহীদদের কবর জিয়ারত করেন।
কবরস্থানে পৌঁছে প্রধানমন্ত্রী প্রথমে তাঁর সহধর্মিণীকে সাথে নিয়ে তাঁর শ্বশুর তথা সাবেক নৌবাহিনী প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের কবর জিয়ারত করেন। সেখানে তাঁরা মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন।
এরপর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও জুবাইদা রহমান পিলখানা ট্র্যাজেডিতে প্রাণ হারানো সেনা কর্মকর্তাদের মূল কবর প্রাঙ্গণে যান। সেখানে স্থাপিত স্মৃতিস্তম্ভের সামনে দাঁড়িয়ে তাঁরা কিছুক্ষণ নীরবে অবস্থান করেন এবং শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের রূহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন।
উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ ও পিলখানা ট্র্যাজেডির পটভূমি
প্রধানমন্ত্রীর এই শ্রদ্ধা নিবেদন ও জিয়ারত কর্মসূচির সময় তাঁর সাথে আরও উপস্থিত ছিলেন:
সালাহউদ্দিন আহমদ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) নেতা এজেডএম জাহিদ হোসেন, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী।
মীর শাহে আলম, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী।
উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর (যা বর্তমানে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বা বিজিবি নামে পরিচিত) সদর দপ্তরে এক নৃশংস বিদ্রোহের ঘটনা ঘটে। ওই রক্তাক্ত ও কলঙ্কময় অধ্যায়ে তৎকালীন বিডিআর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদসহ ৫৭ জন দেশপ্রেমিক চৌকস সেনা কর্মকর্তা শাহাদাতবরণ করেন। দুই দিনের সেই বর্বরোচিত ঘটনায় সব মিলিয়ে মোট ৭৪ জন প্রাণ হারিয়েছিলেন। নিহত বীর সেনা কর্মকর্তাদের সিংহভাগকেই বনানী সামরিক কবরস্থানে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত করা হয়।