বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে আয়োজিত এক জরুরি বৈঠকে এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছান জ্যেষ্ঠ নেতারা। বৈঠক শেষে গণমাধ্যমের সামনে এসে এ খবরের আনুষ্ঠানিক সত্যতা স্বীকার করেন দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
রিজভী জানান, ‘রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন পাওয়ায় মির্জা ফখরুল দলের মহাসচিব ও স্থায়ী কমিটির সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন।’
সকাল ৯টায় সচিবালয়ে শুরু হওয়া উক্ত উচ্চপর্যায়ের নীতিনির্ধারণী সভায় দলের শীর্ষ ও বয়োজ্যেষ্ঠ দায়িত্বশীলরা উপস্থিত ছিলেন। নির্বাচনের প্রার্থী হিসেবে ফখরুলের নাম চূড়ান্ত করার মাধ্যমেই শেষ হয় দীর্ঘ আলোচনা।
ঘোষিত সময়সূচি অনুসারী, আগামী ২০ আগস্ট দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি বেছে নিতে ভোট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তফসিল অনুযায়ী, আজ বৃহস্পতিবারই চূড়ান্ত মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ধার্য করা হয়েছে। প্রাপ্ত আবেদনপত্রগুলো আগামী ১৬ আগস্ট পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং ১৮ আগস্ট প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সুযোগ পাবেন প্রার্থীরা।
ফখরুল ইসলাম আলমগীর পরবর্তী রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলে স্বাভাবিকভাবেই শূন্য হয়ে পড়ছে বিএনপির দ্বিতীয় শীর্ষ দলীয় পদটি। এতে নতুন মহাসচিব হিসেবে কার ওপর আস্থা রাখছে বিএনপি—তা নিয়ে এখন থেকেই দলের রাজনৈতিক অঙ্গনে জোরালো গুঞ্জন তৈরি হয়েছে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ কিংবা জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীকে এই পদে আনা হতে পারে বলে দলীয় সূত্রগুলো ধারণা করছে।