
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, হাজারো নেতাকর্মীর গুম ও হত্যার শৈশবের মধ্য দিয়ে জনগণের প্রত্যাশিত শক্তিশালী গণতন্ত্রকে তারা অবশ্যই পুনঃপ্রতিষ্ঠা করবে, ইনশাআল্লাহ।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) রাজধানীর চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। সভার আয়োজন করা হয়েছিল গত আন্দোলন ও নিপীড়নের সময় গুম ও খুনের শিকার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময়ের জন্য, এটি আয়োজন করে বিএনপি পরিবার ও ‘মায়ের ডাক’।
সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, “যারা ষড়যন্ত্র করছে, নির্বাচন কমিশনসহ সকলকে বলছি—সমতা ও সাম্যতা আনতে হবে। আমাদের ভদ্রতা ও নম্রতা দুর্বলতা নয়। আমরা গণতন্ত্রকে ভালোবাসি। রক্তের সিঁড়ি পেরিয়ে আমরা এখানে পৌঁছেছি। যারা গণতন্ত্রের উত্তরণের পথে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করবে, তাদের মনে রাখতে হবে আমরা গণতন্ত্রে ফিরবই, ইনশাআল্লাহ।”
তিনি আরও বলেন, শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারতের জন্য আমরা একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেছিলাম। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের অনুরোধে শান্তির স্বার্থে সেটি স্থগিত করা হয়। “নির্বাচন কমিশন এবং একটি রাজনৈতিক দল এটি আমাদের দুর্বলতা মনে করেছে। কিন্তু না, এটা আমাদের ভদ্রতা। আমরা কোনো কৌশলে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চাইলে তার সুযোগ দেব না।”
বিএনপির এই নেতা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, “এটা আমাদের নম্রতা নয়, আমরা পরিষ্কারভাবে বলছি—কোনো ষড়যন্ত্র চলবে না। আমরা ফ্যাসিবাদের জিঞ্জীর ভেঙেছি। আমাদের হাতে আছে স্বাধীনতার পতাকা, যা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মাধ্যমে সারা জাতি আমাদের নেতা তারেক রহমানকে হস্তান্তর করেছেন। সেই পতাকা নিয়ে আমরা এগিয়ে যাব। আমরা সাম্য, সুশাসন এবং মর্যাদাপূর্ণ বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, ইনশাআল্লাহ তা বাস্তবায়ন করব।”
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তাহসিনা রুশদীর লুনা, হুম্মাম কাদের চৌধুরী, ‘আমরা বিএনপি’ পরিবারের আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমনসহ অনেকে।