
নরসিংদী-২ আসনে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থী ও এনসিপি নেতা গোলাম সারোয়ার (সারোয়ার তুষার) জোটের আরেক প্রার্থী আমজাদ হোসাইনের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণ নিয়ে অভিযোগ তুলেছেন। তিনি নির্বাচন শুরুর আগের দিন ফেসবুকে একাধিক পোস্টে এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। সারোয়ার তুষারের অভিযোগ, জোটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমজাদ হোসাইনের প্রার্থিতা প্রত্যাহার হওয়ার কথা থাকলেও তিনি এখনও জামায়াতের প্রতীক ‘দাঁড়িপাল্লা’ ব্যবহার করে প্রচারণা চালাচ্ছেন।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে সারোয়ার তুষার লিখেছেন, “আমার পুরো নির্বাচনী এলাকায় খবর পাওয়া যাচ্ছে, প্রায় সব জায়গায় কিছু মানুষ দাঁড়িপাল্লার জন্য ভোট চাইছে। বিষয়টি আমি বারবার জানিয়েছি। কিন্তু কোনো ব্যবস্থা হচ্ছে না। আমজাদ ভাই চাইলে এ গোপন ভোট চাইতে বাধা দিতে পারতেন। তিনি থামালেন না। আফসোস! আল্লাহ, তোমার কাছে ইনসাফ চাই।”
এর কিছু সময় আগে অন্য একটি পোস্টে তিনি দাবি করেন, গজারিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় প্রচার করা হচ্ছে যে তিনি অন্য কাউকে সমর্থন দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে গেছেন।
অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি আরও লিখেছেন, “এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা প্রচার। যারা এর সঙ্গে জড়িত, তাদের দ্রুত চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ১১ দলীয় জোটের বৈধ একমাত্র প্রতীক শাপলা কলি।”
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, নরসিংদী-২ আসনের প্রায় ২ লাখ ৮৪ হাজার ভোটারের মধ্যে সারোয়ার তুষার ও আমজাদ হোসাইনের পাশাপাশি আরও প্রার্থী রয়েছেন। তারা হলেন—
বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকে ড. আবদুল মঈন খান
জাতীয় পার্টির লাঙল প্রতীকে এ এন এম রফিকুল আলম সেলিম
ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ দলের আপেল প্রতীকে মোহাম্মদ ইব্রাহীম
ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের চেয়ার প্রতীকে আসিফ ইকবাল
এ বিষয়ে আমজাদ হোসাইনের প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলে তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।