
আগামীকাল (১০ এপ্রিল) থেকে শুরু হচ্ছে জাতীয় স্কুল ক্রিকেটের ১১তম আসর, যেখানে ৬৪ জেলার ৩৫০ স্কুলের সাড়ে আট হাজারের বেশি ক্রিকেটার অংশ নিচ্ছে। এই টুর্নামেন্টে মোট ৬৫১টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। বৃহস্পতিবার উদ্বোধনী ও জার্সি উন্মোচন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিসিবির প্রধান নির্বাচক ও গেম ডেভেলপমেন্ট বিভাগের প্রধান কাজী হাবিবুল বাশার সুমন, জাতীয় দলের টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত এবং ব্যাটার তাওহিদ হৃদয়।
টানা চার বছর স্কুল ক্রিকেট খেলা হৃদয় বলেন, ‘স্কুল ক্রিকেট আমার জীবনের শুরু। বগুড়া পুলিশ লাইন্স থেকে পড়াশোনা করেছি এবং বয়সভিত্তিক ক্রিকেটের আগেও স্কুল ক্রিকেট দিয়েই ক্রিকেট শুরু হয়েছিল। স্মৃতি এখনও মনে পড়ে, একই ব্যাট, একই হেলমেট নিয়ে খেলতাম। তখন সরঞ্জাম কম থাকলেও আনন্দ ছিল অনেক।’ তিনি আরও বলেন, ‘স্কুল ক্রিকেট থেকে অনেক খেলোয়াড় উঠে এসেছে এবং ভবিষ্যতেও উঠবে। আমার স্কুল একবার দেশের চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। আমি চাই প্রত্যেক খেলোয়াড় যেন যথেষ্ট সুযোগ পায়, ভালো ভেন্যুতে খেলতে পারে এবং বড় স্কোর করতে পারে।’
টুর্নামেন্টের সময়সূচি নিয়ে হৃদয় প্রস্তাব দিয়েছেন বৃষ্টির আগে টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে, যাতে কোনো ম্যাচ বাতিল না হয়। তিনি বলেন, ‘আমার নিজের স্কুলও দুই-তিনটি ম্যাচ টসে হেরে বাদ পড়েছিল। সঠিক সময়সূচি হলে খেলোয়াড়রা সব ম্যাচ খেলতে পারবে।’
স্কুল ক্রিকেটে নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে টেস্ট অধিনায়ক শান্ত বলেন, ‘আমার ক্রিকেট শুরু হয়েছিল বয়সভিত্তিক ক্রিকেট থেকে। অনূর্ধ্ব-১৭ পর্যায়ে স্কুল ক্রিকেটে বিদেশে খেলতে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিলাম। কেরালায় সেই টুর্নামেন্ট আমার ক্যারিয়ারের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সেরা খেলোয়াড় হওয়ার পর দ্রুত অনূর্ধ্ব-১৯ দলে সুযোগ পাই।’ তিনি আরও বলেন, ‘স্কুল ক্রিকেট থেকে সেরা খেলোয়াড়দের বিদেশ সফরের সুযোগ তৈরি করলে খেলোয়াড়দের জন্য তা অনেক উপকারি হবে এবং টুর্নামেন্টের প্রতি আগ্রহও বাড়বে।’