
সিলেট টেস্টে ব্যাট হাতে দাপট দেখিয়ে পাকিস্তানকে ম্যাচ থেকে অনেকটাই ছিটকে দিল বাংলাদেশ। অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিমের রেকর্ডগড়া সেঞ্চুরিতে তৃতীয় দিনের খেলা শেষে বড় লিড গড়ে স্বাগতিকরা। একই সঙ্গে বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি সেঞ্চুরির মালিকও হয়ে গেছেন এই ডানহাতি ব্যাটার।
রোববার (১৭ মে) সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে তৃতীয় দিনের খেলা শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৮৫ ওভারে ৬ উইকেটে ৩২৫ রান। প্রথম ইনিংসের ৪৬ রানের লিডসহ পাকিস্তানের সামনে বাংলাদেশের মোট লিড দাঁড়িয়েছে ৩৭১ রান।
দিনের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ ছিলেন মুশফিক। মোহাম্মদ আব্বাসকে চার মেরে টেস্ট ক্যারিয়ারের ১৪তম সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তিনি। এর মধ্য দিয়ে টেস্টে বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি সেঞ্চুরির রেকর্ড এখন এককভাবে তার দখলে। এতদিন ১৩টি সেঞ্চুরি নিয়ে যৌথভাবে শীর্ষে ছিলেন মুমিনুল হক ও মুশফিক।
২১ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে এদিন আরেকটি মাইলফলকও স্পর্শ করেন তিনি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১৬ হাজার রানের ক্লাবে প্রবেশ করা প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার এখন মুশফিক। দিনশেষে তিনি অপরাজিত ছিলেন ১০৩ রানে।
তবে দিনের শুরুতে ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। আগের দিনের ১৫৬ রানের লিড নিয়ে ব্যাট করতে নেমে দ্রুতই অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর উইকেট হারায় দল। এরপর লিটন দাসকে নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন মুশফিক।
প্রথম ইনিংসে ১২৬ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলা লিটন দ্বিতীয় ইনিংসেও ছিলেন দারুণ আত্মবিশ্বাসী। ৬৭ বলে ফিফটি পূর্ণ করা এই উইকেটকিপার-ব্যাটার শেষ পর্যন্ত ৯২ বলে ৬৯ রান করে আউট হন। ইনিংসে ছিল ৫টি চার।
এই টেস্টে প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি ও দ্বিতীয় ইনিংসে ফিফটি করে আবারও অনন্য এক কীর্তি গড়েছেন লিটন। বাংলাদেশের উইকেটকিপারদের মধ্যে এক টেস্টে সেঞ্চুরি ও ফিফটির ঘটনা এখন পর্যন্ত তিনবার ঘটেছে, আর তিনটিই লিটনের। এর আগে ২০২১ সালে পাকিস্তান এবং ২০২২ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষেও একই কীর্তি গড়েছিলেন তিনি।
লিটনের বিদায়ের পর মেহেদী হাসান মিরাজকে নিয়ে ইনিংস এগিয়ে নেন মুশফিক। তবে খুররম শাহজাদের দারুণ আউটসুইংয়ে ১৯ রান করে বোল্ড হন মিরাজ। পরে তাইজুল ইসলামকে নিয়ে দিন শেষ করেন মুশফিক।
এর আগে পাকিস্তানের প্রথম ইনিংস গুটিয়ে যায় ২৩২ রানে। বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে দারুণ করেন নাহিদ রানা, তাসকিন আহমেদ, মেহেদী হাসান মিরাজ ও তাইজুল ইসলামরা। প্রথম ইনিংসে ২৭৮ রান করা বাংলাদেশ ৪৬ রানের লিড পায়।
এখন ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি বাংলাদেশের হাতে। চতুর্থ দিনে দ্রুত রান তুলে পাকিস্তানকে বড় লক্ষ্য দিতে পারলে সিলেট টেস্টে জয়ের সুবাস আরও তীব্র হবে স্বাগতিকদের জন্য।
মুশফিকের রেকর্ডগড়া সেঞ্চুরিতে পাকিস্তানের সামনে পাহাড়সম লক্ষ্য
সিলেট টেস্টে ব্যাট হাতে দাপট দেখিয়ে পাকিস্তানকে ম্যাচ থেকে অনেকটাই ছিটকে দিল বাংলাদেশ। অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিমের রেকর্ডগড়া সেঞ্চুরিতে তৃতীয় দিনের খেলা শেষে বড় লিড গড়ে স্বাগতিকরা। একই সঙ্গে বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি সেঞ্চুরির মালিকও হয়ে গেছেন এই ডানহাতি ব্যাটার।
রোববার (১৭ মে) সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে তৃতীয় দিনের খেলা শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৮৫ ওভারে ৬ উইকেটে ৩২৫ রান। প্রথম ইনিংসের ৪৬ রানের লিডসহ পাকিস্তানের সামনে বাংলাদেশের মোট লিড দাঁড়িয়েছে ৩৭১ রান।
দিনের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ ছিলেন মুশফিক। মোহাম্মদ আব্বাসকে চার মেরে টেস্ট ক্যারিয়ারের ১৪তম সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তিনি। এর মধ্য দিয়ে টেস্টে বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি সেঞ্চুরির রেকর্ড এখন এককভাবে তার দখলে। এতদিন ১৩টি সেঞ্চুরি নিয়ে যৌথভাবে শীর্ষে ছিলেন মুমিনুল হক ও মুশফিক।
২১ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে এদিন আরেকটি মাইলফলকও স্পর্শ করেন তিনি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১৬ হাজার রানের ক্লাবে প্রবেশ করা প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার এখন মুশফিক। দিনশেষে তিনি অপরাজিত ছিলেন ১০৩ রানে।
তবে দিনের শুরুতে ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। আগের দিনের ১৫৬ রানের লিড নিয়ে ব্যাট করতে নেমে দ্রুতই অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর উইকেট হারায় দল। এরপর লিটন দাসকে নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন মুশফিক।
প্রথম ইনিংসে ১২৬ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলা লিটন দ্বিতীয় ইনিংসেও ছিলেন দারুণ আত্মবিশ্বাসী। ৬৭ বলে ফিফটি পূর্ণ করা এই উইকেটকিপার-ব্যাটার শেষ পর্যন্ত ৯২ বলে ৬৯ রান করে আউট হন। ইনিংসে ছিল ৫টি চার।
এই টেস্টে প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি ও দ্বিতীয় ইনিংসে ফিফটি করে আবারও অনন্য এক কীর্তি গড়েছেন লিটন। বাংলাদেশের উইকেটকিপারদের মধ্যে এক টেস্টে সেঞ্চুরি ও ফিফটির ঘটনা এখন পর্যন্ত তিনবার ঘটেছে, আর তিনটিই লিটনের। এর আগে ২০২১ সালে পাকিস্তান এবং ২০২২ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষেও একই কীর্তি গড়েছিলেন তিনি।
লিটনের বিদায়ের পর মেহেদী হাসান মিরাজকে নিয়ে ইনিংস এগিয়ে নেন মুশফিক। তবে খুররম শাহজাদের দারুণ আউটসুইংয়ে ১৯ রান করে বোল্ড হন মিরাজ। পরে তাইজুল ইসলামকে নিয়ে দিন শেষ করেন মুশফিক।
এর আগে পাকিস্তানের প্রথম ইনিংস গুটিয়ে যায় ২৩২ রানে। বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে দারুণ করেন নাহিদ রানা, তাসকিন আহমেদ, মেহেদী হাসান মিরাজ ও তাইজুল ইসলামরা। প্রথম ইনিংসে ২৭৮ রান করা বাংলাদেশ ৪৬ রানের লিড পায়।
এখন ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি বাংলাদেশের হাতে। চতুর্থ দিনে দ্রুত রান তুলে পাকিস্তানকে বড় লক্ষ্য দিতে পারলে সিলেট টেস্টে জয়ের সুবাস আরও তীব্র হবে স্বাগতিকদের জন্য।