
সব জল্পনা-কল্পনা ও চোটের শঙ্কা উড়িয়ে দিয়ে ব্রাজিলের বিশ্বকাপ স্কোয়াডে জায়গা করে নিয়েছেন নেইমার জুনিয়র। তবে সেলেসাও ভক্তদের মনে নতুন করে উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে তাঁর সাম্প্রতিক ইনজুরি। আসরের প্রথম ম্যাচেই এই পোস্টার বয়ের মাঠে নামা নিয়ে এক ধরনের ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। এতকিছুর পরও বিশ্বজুড়ে থাকা কোটি কোটি ব্রাজিল সমর্থকের আকাশচুম্বী ভরসার কেন্দ্রে রয়েছেন শুধুই নেইমার।
বিগত দুই দশক ধরে বিশ্বমঞ্চের সোনালী ট্রফিটা ছুঁয়ে দেখা হয়নি সেলেসাওদের। হেক্সা তথা ষষ্ঠ শিরোপার দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটবে নেইমারের হাত ধরেই—এমনটাই বিশ্বাস ভক্তদের। একই সাথে ফুটবল ইতিহাসে তিনি নিজেকে অমর করে রাখবেন, সেই প্রত্যাশাও সবার।
তবে নিজের অর্জন আর ফুটবল ইতিহাসে নিজের অবস্থান নিয়ে নেইমার নিজেই বেশ আত্মবিশ্বাসী। তিনি মনে করেন, বিশ্ব ফুটবলে তাঁর অবদান ও স্থায়ী লিগাসি ইতিমধ্যেই প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছে এবং ব্রাজিলের ফুটবলকে এগিয়ে নিতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
সম্প্রতি ‘রেডবুল আল্টিমেট সকার চ্যালেঞ্জ’ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে নিজের ফুটবল ক্যারিয়ার নিয়ে নেইমার বলেন, ‘আমি মনে করি ফুটবলে আমার লিগাসি তৈরি হয়ে গেছে। ফুটবলের কথা উঠলে যে কেউই কোনো না কোনোভাবে আমাকে মনে রাখবে। তাই আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে আমি ইতিহাস গড়তে পেরেছি, ফুটবলের ইতিহাসে নিজের নাম খোদাই করে রেখে যেতে পেরেছি। একদিন আমি আমার সন্তানদের, নাতি-নাতনিদের বলতে পারবো, দেশের জন্য আমি কত গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেছি।’
ভবিষ্যতে ফুটবল বিশ্ব তাঁকে ঠিক কী কারণে মনে রাখবে—এমন প্রশ্নের জবাবে এই ব্রাজিলিয়ান তারকা স্পষ্ট করে বলেন, ‘আমি এমন একজন মানুষ, যে মাঠের ভেতরে সব সময় নিজের আসল রূপেই চনমনে থেকেছি। সান্তোস, বার্সেলোনা, পিএসজি বা আল হিলালেই শুধু নয়, প্রতিবার যখনই মাঠে নেমেছি, আমি আমার শতভাগ উজাড় করে দিয়েছি, বিশেষ করে ব্রাজিল জাতীয় দলের জন্য।’