
বিশ্বকাপের শেষ বত্রিশের ম্যাচে প্রথমার্ধে চাপে পড়েছে ইংল্যান্ড। আটলান্টায় বুধবার (১ জুলাই) বিরতিতে ১-০ গোলে এগিয়ে রয়েছে ডিআর কঙ্গো। ম্যাচের সপ্তম মিনিটে ব্রায়ান সিপেঙ্গার গোলে লিড নেয় আফ্রিকার দলটি। এরপর একাধিক সুযোগ তৈরি করেও সমতায় ফিরতে পারেনি ইংলিশরা।
শুরুর দিকেই বাম দিক থেকে পাওয়া আক্রমণ কাজে লাগিয়ে ডান পায়ের নিখুঁত শটে জাল খুঁজে নেন সিপেঙ্গা। গোল হজমের পর বলের দখল বাড়ালেও কঙ্গোর সুশৃঙ্খল রক্ষণ ভাঙতে ব্যর্থ হয় ইংল্যান্ড।
প্রথমার্ধের মাঝামাঝি ব্যবধানে কঙ্গো আরও একটি গোলের খুব কাছে পৌঁছে গিয়েছিল। ইয়োনে উইসার শট গোলরক্ষককে পরাস্ত করলেও বল পোস্টে লেগে ফিরে আসে। এতে অল্পের জন্য দ্বিতীয় গোল হজম থেকে রক্ষা পায় ইংল্যান্ড।
বিরতির আগে সমতায় ফেরার একাধিক সুযোগ তৈরি করে ইংলিশরা। মার্কাস রাশফোর্ডের জোরালো শট গোললাইন থেকে প্রতিহত করেন অ্যারন ওয়ান-বিসাকা। পরে হ্যারি কেইন পেনাল্টির দাবি জানালেও ভিডিও সহকারী রেফারির পর্যালোচনার পর সেটি নাকচ করা হয়। যোগ করা সময়ে জুড বেলিংহামের আরেকটি প্রচেষ্টাও কঙ্গোর রক্ষণ সামলে দেয়।
ফলে প্রথম ৪৫ মিনিট শেষে ১-০ গোলের ব্যবধানে এগিয়ে থেকে ড্রেসিংরুমে যায় ডিআর কঙ্গো। দ্বিতীয়ার্ধে সমতায় ফিরতে ইংল্যান্ডকে আরও আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে হবে, অন্যদিকে এই ব্যবধান ধরে রেখে শেষ ষোলো নিশ্চিত করার লক্ষ্য কঙ্গোর।