
শেষ ষোলোর লড়াইয়ে দাপট দেখিয়েও প্রথমার্ধে গোলের দেখা পায়নি ফ্রান্স। প্যারাগুয়ের শক্ত প্রতিরোধে বিরতিতে ম্যাচের স্কোর ০-০।
ম্যাচের শুরু থেকেই বলের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দখলে রাখে ফরাসিরা। প্রথমার্ধে প্রায় ৮০ শতাংশ সময় বল তাদের পায়ে থাকলেও সেই আধিপত্যকে কার্যকর আক্রমণে রূপ দিতে পারেনি কিলিয়ান এমবাপ্পের দল। প্যারাগুয়ের সুসংগঠিত রক্ষণভাগ ফ্রান্সের আক্রমণগুলো সফলভাবে প্রতিহত করে।
প্রথম ২৪ মিনিটে একচ্ছত্র আধিপত্য ছিল ফ্রান্সের। বলের দখল ছিল প্রায় ৮১ শতাংশ। তবে বক্সের ভেতরে পরিষ্কার সুযোগ খুব কমই তৈরি করতে পারে তারা। অন্যদিকে, প্যারাগুয়ে পাল্টা আক্রমণের চেয়ে রক্ষণ সামলাতেই বেশি মনোযোগ দেয়।
ম্যাচের ৩৬তম মিনিটে প্যারাগুয়ের বক্সের সামনে ফাউলের শিকার হন কিলিয়ান এমবাপ্পে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি প্রতিপক্ষের আন্দ্রেস কুবেসকে হালকা ধাক্কা দেন। এরপর দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হলেও দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন ম্যাচ কর্মকর্তা। এ ঘটনায় কাউকেই কার্ড দেখানো হয়নি।
যুক্তরাষ্ট্রের ফিলাডেলফিয়ায় অনুষ্ঠিত এই ম্যাচ শুরুর আগেই অতিরিক্ত তাপমাত্রা ও বজ্রঝড়ের আশঙ্কা নিয়ে আলোচনা ছিল। স্থানীয় সময় তাপমাত্রা প্রায় ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস হওয়ায় ম্যাচ চলাকালে হাইড্রেশন ব্রেক দেওয়া হয়। প্রয়োজনে আবহাওয়ার কারণে খেলা সাময়িক স্থগিত রাখার সম্ভাবনাও ছিল।
চোটের কারণে মিডফিল্ডার অরেলিয়াঁ চুয়ামেনি এই ম্যাচে খেলতে পারেননি। তার পরিবর্তে ফ্রান্সের শুরুর একাদশে জায়গা পান মানু কোনো। অন্যদিকে, জার্মানিকে টাইব্রেকারে হারিয়ে শেষ ষোলোতে ওঠা প্যারাগুয়ে একাদশে তিনটি পরিবর্তন আনে।
ফ্রান্সের একাদশ: মাইক মাইনিয়ঁ, জুলস কুন্দে, দায়োত উপামেকানো, উইলিয়াম সালিবা, লুকাস দিনিয়ে, মানু কোনো, আদ্রিয়াঁ রাবিও, মাইকেল ওলিসে, উসমান দেম্বেলে, ব্র্যাডলি বারকোলা ও কিলিয়ান এমবাপ্পে।