
সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, উদ্ধার হওয়া সাপটি বিশ্বের দীর্ঘতম বিষধর সাপ হিসেবে পরিচিত শঙ্খচূড় প্রজাতির। এটি খুবই লাজুক প্রকৃতির সাপ, সাধারণত মানুষকে এড়িয়ে চলে এবং কামড়ের ঘটনা অত্যন্ত বিরল। সংগঠনটির সদস্যরা জানান, এটি তাদের টিমের দ্বিতীয়বারের মতো একই প্রজাতির সাপ উদ্ধারের ঘটনা।
উদ্ধার কার্যক্রমে যুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও সংগঠনের উপদেষ্টা ইব্রাহিম আল হায়দার বলেন, ‘’সন্ধ্যা সাতটার দিকে আমরা খবর পাই এবং আমাদের টিম দ্রুত সাপটি উদ্ধার করে। সাপটি নিয়ে এখনও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। গবেষণার জন্য প্রয়োজন হলে তা হস্তান্তর করা হবে, না হলে নিরাপদে প্রকৃতিতে ছেড়ে দেওয়া হবে।’’
তিনি আরও জানান, ‘’এর আগে ২০২১ সালেও এই প্রজাতির একটি সাপ উদ্ধার করা হয়েছিল। এটি সাধারণত শান্ত স্বভাবের, খুব কমই মানুষকে আক্রমণ করে। দেশে এর কামড়ের ঘটনা অত্যন্ত বিরল।’’
ক্যাম্পাসে একই প্রজাতির বিষধর সাপ বারবার দেখা যাওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে কৌতূহল ও সতর্কতা দুটোই বাড়ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।