
ভুয়া স্বাক্ষর ও স্ট্যাম্প জালিয়াতি করে ১৪ হাজার ১৬০টি শেয়ার হস্তগত করার অভিযোগে করা মামলায় ট্রান্সকম গ্রুপের সিইও সিমিন রহমান ও তার মা মিসেস শাহনাজ রহমানসহ ছয়জনকে অব্যাহতি দিয়েছে আদালত। সোমবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমানের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
মামলার অপর আসামিরা হলেন ট্রান্সকম গ্রুপের পরিচালক মো. কামরুল হাসান, মো. মোসাদ্দেক, আবু ইউসুফ মো. সিদ্দিক ও সামসুজ্জামান পাটোয়ারী। সিমিন রহমানের পক্ষের আইনজীবী মো. সিদ্দিক উল্লাহ মিয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ওমর ফারুক ফারুকী ও বাদীপক্ষে মাসুদ আহমেদ তালুকদার অভিযোগ গঠনের পক্ষে শুনানি করেন। আসামি পক্ষে আই মহসিন মিয়া, খোরশেদ আলম, খোরশেদ মিয়া আলম তাদের এই মামলার দায় থেকে অব্যাহতি চেয়ে শুনানি করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তাদের এই মামলা থেকে অব্যাহতির আদেশ দেন।
গত ১১ জানুয়ারি পিবিআইয়ের ইন্সপেক্টর সৈয়দ সাজেদুর রহমান আদালতে ছয়জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। তিনি জানান, জালিয়াতির মাধ্যমে নিজের ভাইবোনকে সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করতে গোপনে ভুয়া স্বাক্ষর ও স্ট্যাম্প জালিয়াতি করে ট্রান্সকম গ্রুপের ১৪ হাজার ১৬০টি শেয়ার হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে ট্রান্সকম গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সিমিন রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে।
অভিযোগপত্রে সিমিন রহমান ছাড়াও ট্রান্সকম গ্রুপের পরিচালক মো. কামরুল হাসান, মো. মোসাদ্দেক, আবু ইউসুফ মো. সিদ্দিক, মো. সামসুজ্জামান পাটোয়ারী এবং লতিফুর রহমানের স্ত্রী শাহনাজ রহমানকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
২০২৪ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি ভাইবোনদের সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগে গুলশান থানায় এই মামলা করেছিলেন লতিফুর রহমানের আরেক মেয়ে শাযরেহ হক।