
অধিকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের সহায়তা করতে যাওয়া মার্কিন নাগরিকদের আটকের ঘটনায় ইসরাইলের তীব্র সমালোচনা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটর ক্রিস ভ্যান হোলেন। একই সঙ্গে এ বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর নীরবতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
ভ্যান হোলেনের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ নেতৃত্বের পক্ষ থেকে প্রতিবাদ না আসায় ইসরাইল ক্রমেই বেপরোয়া হয়ে উঠছে। একের পর এক অন্যায় করেও কোনো জবাবদিহির মুখে না পড়ায় দেশটি এমন আচরণ চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছে বলে মনে করেন তিনি।
ঘটনাটি ঘটেছে অধিকৃত পশ্চিম তীরে। সেখানে স্থানীয় ফিলিস্তিনিরা জলপাই সংগ্রহের কাজ করছিলেন। তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং কাজে সহযোগিতা করতে সেখানে যান একদল মার্কিন প্রতিনিধি। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ব্র্যাড ল্যান্ডার, যিনি আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট দলের প্রার্থী হিসেবে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে যাচ্ছেন।
তবে ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ ওই দলের সবাইকে আটক করে। পরে ব্র্যাড ল্যান্ডারকে মুক্তি দেওয়া হলেও তাঁর সঙ্গে থাকা অন্য মার্কিন আন্দোলনকর্মী এবং কয়েকজন ধর্মযাজক এখনো আটক রয়েছেন।
বাকিদেরও মুক্তি দেওয়ার দাবি
এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সিনেটর ক্রিস ভ্যান হোলেন স্পষ্টভাবে জানান, একজনকে মুক্তি দিয়েই ঘটনার নিষ্পত্তি হতে পারে না। ইসরাইল সরকারকে আটক বাকি ব্যক্তিদেরও অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে।
ইসরাইলি বাহিনীর আচরণে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, মার্কিন নাগরিকদের সঙ্গেই যদি ইসরাইল এমন আচরণ করার সাহস দেখায়, তাহলে সাধারণ ফিলিস্তিনিদের ওপর কী মাত্রায় নির্যাতন চালানো হচ্ছে, তা সহজেই অনুমান করা যায়।