
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধনীতি ও ঘনঘন অবস্থান পরিবর্তনের কারণে ভারতে কিছু মানুষের মদ্যপানের পরিমাণ বেড়েছে—এমন অভিযোগ করেছেন মহারাষ্ট্র বিজেপির সহ-সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য সুজয় ভিখে-পাতিল। একই সঙ্গে মহারাষ্ট্রের অহিলায়ানগর-মানমাদ সড়কের নির্মাণকাজ বিলম্বিত হওয়ার পেছনেও ট্রাম্পের নীতি ও বৈশ্বিক পরিস্থিতিকে দায়ী করেছেন তিনি।
রোববার মহারাষ্ট্রের অহিলায়ানগরে সড়কটির নির্মাণকাজ থমকে থাকা নিয়ে কথা বলার সময় সুজয় ভিখে-পাতিল ট্রাম্পের বিভিন্ন সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, এই লোক (ট্রাম্প) রাতে একটা বলে, সকালে আরেকটা বলে, আর পরদিন সম্পূর্ণ অন্য কথা বলে। ট্রাম্প কখনও দাবি করেন যুদ্ধ শেষ, আবার পরদিনই ক্ষেপণাস্ত্র হামলার অবস্থান নেন। তার এই ঘনঘন অবস্থান পরিবর্তনের প্রভাব ভারতেও কিছু মানুষের ওপর পড়ছে। ট্রাম্পের এমন আচরণের কারণে সৃষ্ট বিভ্রান্তিতে পড়ে নির্দিষ্ট কিছু মানুষের মদ্যপানের পরিমাণ বেড়ে গেছে।
মহারাষ্ট্র সরকারের মন্ত্রী রাধাকৃষ্ণ ভিখে-পাতিলের ছেলে সুজয়ের দাবি, ট্রাম্পের যুদ্ধসংক্রান্ত নীতির প্রভাব ভারতের বিভিন্ন ক্ষেত্রেও পড়ছে এবং এর ফলে অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে।
অহিলিয়ানগর-মানমাদ সড়কের নির্মাণকাজ শেষ হতে বিলম্বের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে বিজেপির এই নেতা বৈশ্বিক পরিস্থিতির প্রসঙ্গ টানেন। তার বক্তব্য, ইরানে হামলার কারণে অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ ব্যবস্থা প্রভাবিত হয়েছে।
তিনি বলেন, অপরিশোধিত তেল পরিশোধনের প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন পেট্রোলিয়াম পণ্য তৈরি হয়। এসব পণ্যের উপজাত বা বাই-প্রোডাক্ট থেকেই সড়ক নির্মাণে ব্যবহৃত বিটুমিন প্রস্তুত করা হয়।
সুজয় ভিখে-পাতিলের অভিযোগ, তেল সরবরাহ ও উৎপাদনে বিঘ্ন সৃষ্টি হওয়ায় বিটুমিনের প্রাপ্যতাও কমে গেছে। তার মতে, এসব ঘটনার পেছনে ট্রাম্পের যুদ্ধনীতি ভূমিকা রাখছে এবং বৈশ্বিক ঘটনাগুলো পরস্পরের সঙ্গে সম্পর্কিত।
তিনি বলেন, এই সবকিছুর পেছনে রয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধনীতি। এগুলো সবই একটার সঙ্গে অন্যটা যুক্ত। যারা বোঝে, তারা ঠিকই বুঝতে পারবে।