
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেছেন, শত নির্যাতন-নিপীড়নের পরও আপনারা রাজপথ ছাড়েননি। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে অটুট ছিলেন। এবার দেশ গড়ার পালা। এ যাত্রায় প্রত্যেককে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে, অবশ্যই।
আজ শনিবার বিকেলে রাজধানীর শাহবাগে ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপির পক্ষ থেকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনোত্তর প্রেসব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়।
তারেক রহমান জানান, বিএনপি রাষ্ট্র মেরামাতের ৩১ দফার রূপরেখা প্রণয়ন করেছিল এবং কিছু বিষয়ে নোট অব ডিসেন্ট রেখে জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেছে। তিনি আশ্বাস দেন, প্রতিশ্রুতিগুলো দেশের স্বার্থে বাস্তবায়ন করা হবে।
তিনি দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, জাতীয় স্বার্থে দলগুলোর মতপার্থক্য থাকা সত্ত্বেও সবাই একসাথে কাজ করবে। দেশের মধ্যে কোনো অপশক্তি যাতে ফ্যাসিবাদ কায়েম করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার নির্দেশ দেন।
তারেক রহমান এদিন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের জন্য অন্তর্বর্তী সরকার, নির্বাচন কমিশন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, মাঠ পর্যায়ের প্রশাসন, সাংবাদিক ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের ধন্যবাদ জানান।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৭ আসনের মধ্যে বিএনপি এককভাবে ২০৯টি আসন জয় লাভ করেছে। তারেক রহমান নিজে ঢাকা-১৭ ও বগুড়া-৬ আসনে জয়ী হয়েছেন এবং নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের স্থায়ী কমিটির জ্যেষ্ঠ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সেলিমা রহমান, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, এজেডএম জাহিদ হোসেনসহ অন্যান্য নেতারা সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেন।