.png)
ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হলেও নিজেদের অবস্থান কঠোরভাবে পুনর্ব্যক্ত করেছে যুক্তরাজ্য।
ডাউনিং স্ট্রিট স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ যুক্তরাজ্যেরই অংশ এবং সেখানে বসবাসকারীদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। ব্রিটিশ সরকার বলছে, অতীতেও দ্বীপবাসীরা বিপুল ভোটে যুক্তরাজ্যের অধীনে থাকার পক্ষে মত দিয়েছে।
অন্যদিকে আর্জেন্টিনা আবারও যুক্তরাজ্যের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা শুরু করার আহ্বান জানিয়েছে। দেশটি দীর্ঘদিন ধরে দ্বীপপুঞ্জটির সার্বভৌমত্ব দাবি করে আসছে এবং এটিকে “মালভিনাস” নামে অভিহিত করে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের একটি অভ্যন্তরীণ নথি ফাঁসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফকল্যান্ড ইস্যু নতুন করে আলোচনায় এসেছে। তবে যুক্তরাজ্য পরিষ্কারভাবে জানিয়েছে, তাদের অবস্থান অপরিবর্তিত এবং সার্বভৌমত্ব নিয়ে কোনো আপসের প্রশ্নই আসে না।
ফলে ফকল্যান্ড ইস্যু আবারও আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে, যদিও যুক্তরাজ্য তাদের দাবিতে অনড় রয়েছে।