
জ্বালানি তেল সরবরাহে শৃঙ্খলা আনতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসন, আর সেই উদ্যোগ ঘিরেই তৈরি হয়েছে জনসমাগম। আগামী ১ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্তে কার্ড সংগ্রহ করতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে লম্বা লাইনে দাঁড়াচ্ছেন মানুষ।
সোমবার (৩০ মার্চ) সকালে ডিসি অফিসে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে গিয়ে লাইনে দাঁড়ানো নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে কিছুটা উত্তেজনা ও বাকবিতণ্ডার ঘটনাও ঘটে। সকাল থেকেই বিপুল সংখ্যক মানুষ সেখানে ভিড় করেন, ফলে পরিস্থিতি সামাল দিতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
জানা গেছে, সোমবার সকাল থেকে যানবাহনের মালিকরা ফুয়েল কার্ড সংগ্রহের জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র, গাড়ির রেজিস্ট্রেশন কপি, ড্রাইভিং লাইসেন্স এবং একটি পাসপোর্ট সাইজের ছবি জমা দিচ্ছেন। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সোমবার ও মঙ্গলবার এই কাগজপত্র জমা দিয়ে বিনামূল্যে ফুয়েল কার্ড সংগ্রহ করা যাবে।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ১ এপ্রিল থেকে সরকার নির্ধারিত ফুয়েল কার্ড ছাড়া জ্বালানি তেল কেনা যাবে না। চুয়াডাঙ্গা জেলায় প্রতিদিন ২২টি তেল পাম্পে সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত তেল বিতরণ চলবে। তবে কৃষি ও পরিবহন খাতে কিছুটা শিথিলতা রাখা হয়েছে—এই খাতে ২৪ ঘণ্টাই ডিজেল সংগ্রহ করা যাবে।
এ বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. তারেকুজ্জামান বলেন, “আগামী ১ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। কার্ড সংগ্রহে অনেকেই এসেছেন। দিনভর কোনো ঝামেলা ছাড়াই কার্ড পেয়েছেন গ্রাহকরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সবকিছু স্বাভাবিক রয়েছে। মঙ্গলবারও এই কার্যক্রম চলবে।”