
কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বীরউত্তম কাদের সিদ্দিকী সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের সময় বিরোধীদলের হট্টগোল নিয়ে বলেছেন, “গণতন্ত্র থাকলে হট্টগোলও থাকবে। সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্য তারেক রহমান যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। সাধারণত রাষ্ট্রপতির ভাষণ সরকার লিখে দেয় এবং রাষ্ট্রপতি তা-ই পাঠ করেন। বর্তমান রাষ্ট্রপতিও তাই করেছেন এবং এতে কোনো ভুল করেননি।”
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সন্ধ্যায় টাঙ্গাইলের সখীপুরে নিজ বাসভবনে ইফতার ও দোয়া মাহফিল শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
কাদের সিদ্দিকী বলেন, ক্ষমতার ভিত্তিতে নেতাদের মর্যাদা নির্ধারণ বা ঘন ঘন মত পরিবর্তন করা তার স্বভাবের মধ্যে নেই। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদান আমি আন্তরিকভাবে স্বীকার করি। একইভাবে মুক্তিযুদ্ধে জিয়াউর রহমানের অবদানও অবিস্মরণীয়। কোনটা বাদ দেওয়া হলো বা রাখা হলো সেটি বড় বিষয় নয়; দেশের মানুষের কাছে কোনটি গ্রহণযোগ্য সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।”
৭ মার্চ ও ১৫ আগস্ট জাতীয় দিবসের প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৫ আগস্ট নির্মমভাবে নিহত হয়েছেন। দিবসটি পালন করা হোক বা না হোক—যদি তা বাঙালির অন্তরে থাকে, সেটিই হবে প্রকৃত সার্থকতা। তবে ৭ মার্চের ভাষণ স্থগিত করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়। এতে বাঙালির ইতিহাস ও ঐতিহ্য ভুলণ্ঠিত হবে।”
তিনি আরও যোগ করেন, “দেশের মানুষ চায় গণতান্ত্রিক পদ্ধতি বজায় থাকুক, মানুষের সম্মান ও মতামতের মূল্যায়ন হোক। এর বাইরে জনগণের আর কিছু চাওয়ার নেই।”
এসময় উপস্থিত ছিলেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের টাঙ্গাইল জেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আবু সালেক হিটলু, সখীপুর উপজেলা শাখার সভাপতি আব্দুস ছবুর খান, সাবেক সভাপতি আব্দুল হালিম সরকার লাল, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইদ্রিস শিকদার, যুগ্ম সম্পাদক আশিক জাহাঙ্গীর, পৌর সভাপতি আবু জাহিদ রিপন ও সাংগঠনিক সম্পাদক মানবিক তুহিন সিদ্দিকী।