
লা লিগায় দারুণ ছন্দ ধরে রেখেছে বার্সেলোনা। রাফিনিয়া ও লামিন ইয়ামালের জোড়া গোলের নৈপুণ্যে নু ক্যাম্পে রায়ো ভাইয়েকানোকে ৫-২ গোলে হারিয়ে টানা তৃতীয় জয় পেয়েছে কাতালান ক্লাবটি।
লিগ শিরোপা ধরে রাখার মিশনে দারুণ শুরু করেছে বার্সেলোনা। প্রথম তিন ম্যাচেই তারা প্রতিপক্ষের জালে মোট ১২ বার বল পাঠিয়েছে। তিন ম্যাচে পূর্ণ ৯ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে রয়েছে দলটি। সমান ৯ পয়েন্ট নিয়েও গোল ব্যবধানে দ্বিতীয় স্থানে আছে রিয়াল মাদ্রিদ।
ঘরের মাঠে ম্যাচের শুরু থেকেই প্রায় ৬৭ শতাংশ বল নিজেদের দখলে রেখে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে বার্সা। তবে প্রথমে গোল হজম করতে হয় তাদেরই।
১২ মিনিটে পাল্টা আক্রমণ থেকে এগিয়ে যায় রায়ো ভাইয়েকানো। বাঁ দিক দিয়ে আলভারো গার্সিয়ার কাটব্যাক থেকে পাওয়া বলে জোরালো শটে গোল করেন কামেয়ো।
তবে পিছিয়ে পড়ার পর দ্রুতই ম্যাচে ফিরে আসে বার্সেলোনা। তিন মিনিটের ব্যবধানে দুই গোল করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় স্বাগতিকরা।
১৯ মিনিটে জাভি এস্পার্তের পাস পেয়ে এক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে বাঁ পায়ের নিচু শটে বার্সেলোনাকে সমতায় ফেরান রাফিনিয়া।
এর কিছুক্ষণ পর মার্ক বের্নালের পাস থেকে বাঁ পায়ে শক্তিশালী শট নেন লামিন ইয়ামাল। তার শটটি কাছের পোস্টের ওপরের কোণা দিয়ে জালে জড়িয়ে যায়। চলতি আসরে স্প্যানিশ তরুণ ফরোয়ার্ডের এটিই প্রথম গোল।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই আরও একবার গোলের দেখা পায় বার্সা। ৫১ মিনিটে নিজেদের জালে বল পাঠান রায়ো ভাইয়েকানোর ডিফেন্ডার লুজিন। এতে ব্যবধান দাঁড়ায় ৩-১।
তবে ৫৯ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে রায়োকে আবার ম্যাচে ফেরানোর চেষ্টা করেন কামেয়ো।
বার্সার আক্রমণ এরপর আরও ধারালো হয়ে ওঠে। ৭১ মিনিটে বক্সের ভেতর গর্ডনের চমৎকার ব্যাকহিল ফ্লিক থেকে পাওয়া বলে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন রাফিনিয়া। এতে বার্সার লিড দাঁড়ায় ৪-২।
ম্যাচের শেষ মুহূর্তে নিজের দ্বিতীয় গোল করে বার্সার বড় জয় নিশ্চিত করেন ইয়ামাল। বক্সের বাইরে থেকে নিচু শটে রায়ো ভাইয়েকানোর জালে বল পাঠান ১৯ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড।
শেষ পর্যন্ত ৫-২ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বার্সেলোনা এবং লা লিগায় টানা তৃতীয় জয় তুলে নেয়।