
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘর্ষে সাময়িক যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ। এ বিরতিকে অঞ্চলটিতে উত্তেজনা কমানোর দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে ঢাকা।
বুধবার (৮ এপ্রিল) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ যুদ্ধবিরতির প্রতি সম্মান দেখাবে এবং এই সুযোগকে ফলপ্রসূভাবে ব্যবহার করে একটি স্থায়ী ও টেকসই সমাধানের জন্য কাজ করবে। মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে বলে প্রত্যাশা করা হয় বিবৃতিতে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ যুদ্ধবিরতির প্রতি সম্মান দেখাবে এবং কূটনৈতিক সুযোগকে ব্যবহার করে শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথে কাজ করবে। স্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরে আসা প্রত্যাশিত। পাশাপাশি, যুদ্ধবিরতিকে সফল করতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় অংশগ্রহণকারী সকল পক্ষকে সাধুবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জোর দিয়ে বলেছে, সব ধরনের বিবাদই সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব এবং করা উচিত।
মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে চলমান সংঘাত ইতোমধ্যে ৪০ দিনের বেশি সময় ধরে চলছিল। বুধবার (৮ এপ্রিল) সকালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে দুই সপ্তাহের জন্য যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেন। ইরানও এ ঘোষণা গ্রহণ করেছে। এই যুদ্ধবিরতি কূটনৈতিক প্রক্রিয়াকে আরও এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক উত্তেজনার কারণে স্থানীয় জনগণ, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় অনেক ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছিল। তাই, সাময়িক এই বিরতি শুধুমাত্র অস্ত্রবিরতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি একটি কার্যকরী মধ্যবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশ এই যুদ্ধে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও পরিপূর্ণতা ফিরে আনার জন্য সকল পক্ষকে সংলাপ ও সহযোগিতার আহ্বান জানাচ্ছে। কূটনীতির মাধ্যমে সব সমস্যা সমাধান সম্ভব বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে। দেশটি আশা করছে, মধ্যপ্রাচ্যে দ্রুত শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ফিরে আসবে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ও এ প্রচেষ্টায় সহযোগিতা করবে।