
দীর্ঘ অপেক্ষার পর সীমিত পরিসরে রাফাহ সীমান্ত খোলার প্রথম দিনেই আহত কয়েকজন ফিলিস্তিনি ও তাদের সঙ্গীরা গাজা ছেড়ে মিসরে প্রবেশ করেছেন। সীমান্তে দায়িত্বশীল মিসরীয় পক্ষের একটি সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।
বার্তা সংস্থা এএফপিকে মঙ্গলবার ওই সূত্র জানায়, পাঁচজন আহত ফিলিস্তিনির সঙ্গে সাতজন সঙ্গী সীমান্ত অতিক্রম করেন।
জাতিসংঘ ও বিভিন্ন ত্রাণ সংস্থার মতে, রাফাহ সীমান্ত পুনরায় চালু হওয়া গাজার ভয়াবহ মানবিক সংকট মোকাবিলায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষিত গাজা যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপের অংশ হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।
মিসর সীমান্তে দায়িত্বে থাকা তিনজন কর্মকর্তা জানান, সোমবার রোগী পারাপারের সংখ্যা ছিল সীমিত। প্রত্যেক রোগীর সঙ্গে দু’জন সঙ্গীসহ সর্বোচ্চ ৫০ জনকে সীমান্ত অতিক্রমের অনুমতি দেওয়া হয়।
মিসরের এক স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বলেন, তিনটি অ্যাম্বুলেন্সে করে ফিলিস্তিনের রোগীরা সীমান্তে পৌঁছান। সেখানে পৌঁছানোর পর তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে ঠিক করা হয় কোন হাসপাতালে পাঠানো হবে।
মিসরের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাতে আল-কাহেরা নিউজ জানিয়েছে, ফিলিস্তিনি রোগীদের চিকিৎসাসেবার জন্য দেশটির ১৫০টি হাসপাতাল এবং ৩০০টি অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, স্থানান্তরিত রোগীদের চিকিৎসায় ১২ হাজার চিকিৎসক এবং ৩০টি দ্রুত মোতায়েনযোগ্য মেডিকেল টিম প্রস্তুত রয়েছে।
এদিকে গাজা সিটির আল-শিফা হাসপাতালের পরিচালক মোহাম্মদ আবু সালমিয়া জানান, “২০ হাজার রোগীর জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন, যার মধ্যে ৪ হাজার ৫০০ জন শিশু।”
তবে সীমান্ত পথ ব্যবহার করে কতজন মানুষ গাজায় ফিরে গেছেন—এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।