
৫ অক্টোবর শিক্ষক দিবস। চারদিকে শিক্ষককে ঘিরে শ্রদ্ধা, ভালোবাসা আর শুভেচ্ছার আয়োজন। শিক্ষকতার মহিমা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, শিক্ষকের অবদান স্মরণ করা হচ্ছে। কিন্তু এই উদযাপনের মাঝেই বাংলাদেশের অসংখ্য শিক্ষক ও শিক্ষক পরিবারের বুক থেকে একটি প্রশ্ন উঠে আসছে—কিসের শিক্ষক দিবস?
যে শিক্ষক নিজেই আজ অসহায়, যে শিক্ষক চাকরি হারিয়েছেন, যে শিক্ষক মিথ্যা মামলায় আসামি হয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন, যে শিক্ষক কারাগারে, যে শিক্ষক আদালতে পর্যন্ত যেতে পারছেন না, যে শিক্ষক প্রকাশ্যে অপমানিত ও নির্যাতিত হয়েছেন—তাঁর কাছে শিক্ষক দিবসের এই উৎসব কতটা অর্থবহ?
আরও একটি মৌলিক প্রশ্ন সামনে আসে—যে শিক্ষক নিজেই স্বাধীনভাবে কথা বলতে পারেন না, মুক্তভাবে চিন্তা করতে পারেন না, নিজের অধিকার ও মত প্রকাশের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত থাকেন, তাঁর জন্য শিক্ষকতার মর্যাদা কোথায়?
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় চার হাজার শিক্ষকের ওপর মব সন্ত্রাস হয়েছে। প্রায় ১০০ জন শিক্ষক চাকরিচ্যুত, প্রায় ৩০০ জন সাময়িক বহিষ্কৃত। ৪০৪ জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধে তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। প্রায় তিন হাজার শিক্ষককে বিভিন্নভাবে একাডেমিক শাস্তি দেওয়া হয়েছে, বয়কট করা হয়েছে। প্রায় ১০০ জন শিক্ষক মিথ্যা হত্যা মামলার আসামি হয়েছেন। মিথ্যা হত্যা মামলাসহ সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ১০ জন শিক্ষক জেলে।
প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে কলেজ পর্যন্ত প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার শিক্ষককে মব সন্ত্রাসের মাধ্যমে জোরপূর্বক পদত্যাগ করানো হয়েছে, মন্ত্রণালয়ের আবেদনের নথি অনুযায়ী। এর বাইরে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সহপ্রধানদের হুমকি ও মব সন্ত্রাসের মাধ্যমে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। অসংখ্য শিক্ষককে জুতা পেটা করা হয়েছে, গাছে বেঁধে মারা হয়েছে, গলায় জুতোর মালা পরানো হয়েছে।
প্রাথমিক থেকে কলেজ পর্যন্ত বহু শিক্ষককে মিথ্যা হত্যা মামলার আসামি করা হয়েছে। অসংখ্য শিক্ষক জেলে, অনেকে মিথ্যা মামলায় পলাতক। আদালতে পর্যন্ত যেতে পারছেন না।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে রয়েছে প্রায় ২,৫০০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। অভিযোগ রয়েছে, প্রতিটি শিক্ষাঙ্গনেই মব সন্ত্রাস চালিয়ে প্রতিষ্ঠানপ্রধান শিক্ষকদের পদত্যাগ করানো হয়েছে। কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মাদ্রাসাসহ সকল ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছে।
এখানেই শেষ নয়। সবচেয়ে ভয়াবহ ক্ষতিটা হয়েছে একজন শিক্ষকের জীবনের পাশাপাশি তাঁর পরিবার ও শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের ওপর। শিক্ষক পরিবারের হাত থেকে বই কেড়ে নেওয়া হয়েছে, কলম কেড়ে নেওয়া হয়েছে, জ্ঞানচর্চার সুযোগ কেড়ে নেওয়া হয়েছে। শ্রেণিকক্ষ থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। বইয়ের পাতায় অপমান করা হয়েছে।
শুধু দৈহিকভাবে নয়—একটি শিক্ষক পরিবারকে মানসিক ও সামাজিকভাবেও ভেঙে দেওয়া হয়েছে।
মানবাধিকার লঙ্ঘনের যে ভয়াবহ চিত্র আমরা প্রত্যক্ষ করছি, তার সর্বোচ্চ সীমালঙ্ঘনের শিকার হয়েছে শিক্ষক পরিবার, শিক্ষা পরিবার। একজন মানুষের কর্মের অধিকার, মর্যাদা, নিরাপত্তা, সামাজিক অবস্থান, মানসিক শান্তি এবং পরিবারের স্বাভাবিক জীবন—সবকিছুর ওপর যখন একসঙ্গে আঘাত আসে, তখন সেটি আর শুধু একজন ব্যক্তির ওপর নির্যাতন থাকে না; তা পরিণত হয় একটি পরিবারের অস্তিত্বের ওপর আঘাতে।
একজন শিক্ষক যখন চাকরি হারান, তখন শুধু তাঁর বেতন বন্ধ হয় না; থেমে যায় একটি পরিবারের স্বাভাবিক জীবন। যে শিক্ষকের আয়ের ওপর নির্ভর করতেন বৃদ্ধ বাবা-মা, যার উপার্জনে চলত স্ত্রী-সন্তানের ভরণপোষণ, সন্তানের পড়াশোনা, অসুস্থ স্বজনের ওষুধ—সেই শিক্ষক যখন কর্মহীন, মামলাগ্রস্ত কিংবা কারাগারে, তখন পুরো পরিবারটিই অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে যায়।
হাজার হাজার শিক্ষককে বহিষ্কার ও শাস্তি দিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে পঙ্গু করে দেওয়ার সবচেয়ে বড় মূল্য দিতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। যোগ্য শিক্ষক হারিয়ে শিক্ষার্থীরা শিক্ষা-সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তাদের জ্ঞানচর্চা ব্যাহত হচ্ছে, শিক্ষা অধিকার সংকুচিত হচ্ছে। একটি প্রজন্ম যদি যোগ্য শিক্ষকের সান্নিধ্য থেকে বঞ্চিত হয়, তার ক্ষতি কোনো পরিসংখ্যান দিয়ে মাপা যায় না। আর শিক্ষার প্রাণশক্তিই যদি হয় প্রশ্ন করা, যুক্তি দিয়ে ভাবা, ভিন্নমত প্রকাশ করা এবং মুক্তচিন্তার চর্চা, তাহলে শিক্ষকের কণ্ঠ স্তব্ধ করে কোনো শিক্ষাব্যবস্থাই সুস্থ থাকতে পারে না।
বাক্স্বাধীনতা শুধু রাজনীতির বিষয় নয়; এটি শিক্ষা ও জ্ঞানচর্চারও মৌলিক শর্ত। একজন শিক্ষক যদি নিজের মত প্রকাশের কারণে চাকরি হারানোর ভয় করেন, ভিন্নমত পোষণের কারণে সামাজিক বা প্রশাসনিক নিপীড়নের শিকার হন, কিংবা প্রশ্ন তোলার অপরাধে অভিযুক্ত হন—তাহলে শ্রেণিকক্ষে মুক্তচিন্তার শিক্ষা কীভাবে সম্ভব?
একাডেমিক স্বাধীনতা মানে অন্যায়কে সমর্থন করা নয়; বরং যুক্তি, প্রমাণ, প্রশ্ন ও মতের ভিন্নতাকে সহ্য করার সক্ষমতা। শিক্ষককে সেই স্বাধীনতা থেকে বঞ্চিত করা মানে শিক্ষার্থীকেও মুক্তভাবে চিন্তা করার অধিকার থেকে বঞ্চিত করা। যে শ্রেণিকক্ষে প্রশ্ন করার সাহস নেই, সেখানে জ্ঞানচর্চা ধীরে ধীরে মুখস্থচর্চায় পরিণত হয়। যে শিক্ষাঙ্গনে ভিন্নমত নিরাপদ নয়, সেখানে মুক্তচিন্তা বিকশিত হতে পারে না। আর যে সমাজে শিক্ষক তাঁর বিবেকের কথা বলার নিরাপত্তা হারান, সে সমাজের ভবিষ্যৎ নিয়েও প্রশ্ন ওঠে।
যে জাতি তার শিক্ষক সমাজকে অপমানিত করে, সে জাতি আসলে নিজের ভবিষ্যৎকেই পঙ্গু করে। হাজার হাজার শিক্ষার্থীর জীবন বিপন্ন হয়েছে। সার্টিফিকেট বাতিল করা হয়েছে, শিক্ষার অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। শিক্ষক ও শিক্ষার্থী—দুই পক্ষের পরিবারই আজ অনিশ্চয়তার ভার বহন করছে।
তাহলে প্রশ্ন উঠবেই—শিক্ষক ও শিক্ষার্থী পরিবারকে ধ্বংস করে কিসের শিক্ষক দিবস? শত শত অসহায় পরিবারের কর্মচারী-কর্মকর্তাকেও বহিষ্কার করা হয়েছে, মিথ্যা মামলায় জেলে দেওয়া হয়েছে। তারা আদালতে গিয়ে বিচারের মুখোমুখি হওয়ার সুযোগ পর্যন্ত পাচ্ছেন না। এই বাস্তবতার মধ্যে শিক্ষক দিবসের আনন্দ অনেকের কাছেই বেদনার মতো।একদিকে লক্ষাধিক শিক্ষক পরিবার অমানবিক জীবনযাপন করছে, অন্যদিকে অন্য একটি পক্ষ আনন্দ-খুশিতে শিক্ষক দিবস পালন করছে। এই বৈপরীত্য কি আমাদের বিবেককে প্রশ্ন করে না? শিক্ষকের ওই অংশটি হয়তো মব সন্ত্রাসে উৎসাহ উদ্দীপনা দিয়েছে। বহিষ্কার করাতে ইন্ধন দিয়েছে। তারাই তো তদন্ত কমিটিতে ছিল। ৫ আগস্ট ২০২৪ থেকে অদ্যাবধি শিক্ষা পরিবারের ওপর যে নিপীড়ন ও মানবিক বিপর্যয়ের ঘটানো হয়েছে, তা আমাদের নতুন করে ভাবতে বাধ্য করে—একজন শিক্ষক আসলে রাষ্ট্র ও সমাজের কাছে কতটা নিরাপদ?
আর যদি একজন শিক্ষকই নিরাপদ না থাকেন, তাহলে তাঁর কাছে আমরা কীভাবে মুক্তচিন্তা, নৈতিক সাহস, সত্য বলার শক্তি এবং যুক্তিবোধের শিক্ষা প্রত্যাশা করি?
শিক্ষকরা এমপিওর জন্য আন্দোলন করতে গিয়েও অমানবিক নির্যাতনের শিকার হয়েছে। অধিকার আদায়ের আন্দোলনে নির্যাতনের শিকার হয়ে শিক্ষক মৃত্যুবরণ করেছেন। প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাদ্রাসার আন্দোলনরত শিক্ষকদের ওপর হয়েছে ন্যাক্কারজনক হামলা। আমার শিক্ষিকাকে টেনে-হিঁচড়ে মারা হয়েছে, রাস্তায় ফেলে দেওয়া হয়েছে।
অধিকার দাবি করা, অন্যায়ের প্রতিবাদ করা কিংবা নিজের অবস্থান প্রকাশ করা কোনো শিক্ষক বা নাগরিকের অপরাধ হতে পারে না। বাক্স্বাধীনতা ও শান্তিপূর্ণ মতপ্রকাশের অধিকার যদি শিক্ষকের জন্যও নিরাপদ না থাকে, তবে আমরা শিক্ষার্থীদের কী ধরনের নাগরিকত্বের শিক্ষা দিচ্ছি?এখন পর্যন্ত মানসিক যন্ত্রণায় অসুস্থ হয়ে বহু শিক্ষক মৃত্যুবরণ করেছেন। আর যারা বেঁচে আছেন, তাঁদের অনেকেই অসুস্থতা ও অভাবের সঙ্গে যুদ্ধ করে চলেছেন। যে শিক্ষক একসময় পরিবারের অবলম্বন ছিলেন, আজ সেই শিক্ষকই পরিবারের বোঝা হয়ে পড়েছেন। জীবনের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা করাতে পারছেন না, সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তায় ভুগছেন, পরিবারের সদস্যদের চোখে নিজেকে অসহায় মনে করছেন। রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় পেনশনের টাকাও তুলতে পারছেন না হাজার হাজার শিক্ষক। একজন শিক্ষকের জীবনের এই পরিণতি শুধু তাঁর ব্যক্তিগত নয়; এটি একটি সমাজের বিবেকের পরাজয়।
শিক্ষক শুধু একটি পেশার নাম নয়। শিক্ষক একটি জাতির ভবিষ্যৎ নির্মাণের কারিগর। তাঁর হাতে থাকে বই, কিন্তু সেই বইয়ের পাতায় গড়ে ওঠে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম। তাঁর হাতে থাকে কলম, কিন্তু সেই কলমের আলোয় একজন শিক্ষার্থী নিজের জীবন ও দেশকে চিনতে শেখে। তাই কোনো শিক্ষককে যখন জুতোর মালা পরানো হয়, তখন অপমানিত হন শুধু একজন মানুষ নন—অপমানিত হয় শিক্ষার মর্যাদা।
যখন শিক্ষককে শ্রেণিকক্ষ থেকে বের করে দেওয়া হয়, তখন শুধু একটি মানুষকে বের করে দেওয়া হয় না—শ্রেণিকক্ষ থেকেই বের করে দেওয়া হয় জ্ঞানের একটি কণ্ঠ।
যখন একজন যোগ্য শিক্ষককে অন্যায়ভাবে সরিয়ে দেওয়া হয়, তখন ক্ষতিগ্রস্ত হয় শুধু তাঁর পরিবার নয়—ক্ষতিগ্রস্ত হয় শত শত শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ।
আর যখন একজন শিক্ষককে তাঁর মত, চিন্তা, প্রশ্ন কিংবা অবস্থানের কারণে নীরব করে দেওয়া হয়, তখন ক্ষতিগ্রস্ত হয় শুধু একজন মানুষের অধিকার নয়—ক্ষতিগ্রস্ত হয় বাক্স্বাধীনতা, মুক্তচিন্তা ও একাডেমিক স্বাধীনতার ভিত্তি। তাই আজ ফুলের মালার চেয়ে বড় প্রয়োজন ন্যায়বিচার। শুভেচ্ছার চেয়ে বড় প্রয়োজন শিক্ষকের নিরাপত্তা। বক্তৃতার চেয়ে বড় প্রয়োজন শিক্ষকের মর্যাদা ফিরিয়ে দেওয়া। আর আনুষ্ঠানিকতার চেয়ে বড় প্রয়োজন মুক্তচিন্তা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও ভিন্নমতের প্রতি সহনশীল একটি শিক্ষাঙ্গন নিশ্চিত করা।
আমরা প্রতিশোধ চাই না। আমরা চাই না আর কোনো শিক্ষক নির্যাতিত হোক। আমরা চাই না আর কোনো শিক্ষককে মিথ্যা মামলায় পালিয়ে বেড়াতে হোক। আমরা চাই না কোনো শিক্ষিকার গায়ে হাত উঠুক। কোনো শিক্ষককে গাছে বেঁধে মারার মতো ঘটনা আর ঘটুক—এটিও চাই না।
আমরা চাই শিক্ষক তাঁর শ্রেণিকক্ষে ফিরুন।
শিক্ষার্থী তাঁর শিক্ষকের কাছে ফিরে যাক।
বই ফিরে আসুক শিক্ষকের হাতে।
কলম ফিরে আসুক তাঁর আঙুলে।
প্রশ্ন করার অধিকার ফিরে আসুক।
মুক্তচিন্তার পরিবেশ ফিরে আসুক।
ভিন্নমত প্রকাশের নিরাপত্তা ফিরে আসুক।
জ্ঞান ফিরে আসুক শিক্ষাঙ্গনে।
আর শিক্ষক পরিবার ফিরে পাক স্বাভাবিক জীবন।
কারণ শিক্ষককে বাঁচানো মানে শিক্ষা বাঁচানো; শিক্ষা বাঁচানো মানে একটি প্রজন্মকে বাঁচানো।
আর শিক্ষকের কণ্ঠকে নিরাপদ রাখা মানে একটি সমাজের চিন্তার স্বাধীনতাকে নিরাপদ রাখা।
আজ তাই শিক্ষক দিবসে সবচেয়ে জরুরি প্রশ্নটি ফুল দিয়ে ঢেকে না রেখে আমাদের সামনে রাখতে হবে—
কিসের শিক্ষক দিবস, যখন শিক্ষকই তাঁর অধিকার, মর্যাদা, নিরাপত্তা, বাক্স্বাধীনতা ও মুক্তচিন্তার অধিকার থেকে বঞ্চিত? যেদিন একজন শিক্ষক নির্ভয়ে শ্রেণিকক্ষে দাঁড়াতে পারবেন, অন্যায়ভাবে চাকরি হারানোর ভয় থাকবে না, মিথ্যা মামলায় রাত কাটাতে হবে না, পরিবারকে নিয়ে অনিশ্চয়তায় দিন পার করতে হবে না, নিজের বিবেক ও যুক্তির কথা বলার জন্য নিপীড়নের শিকার হতে হবে না—সেদিনই শিক্ষক দিবস সত্যিকার অর্থে আনন্দের হবে। বিশ্ব শিক্ষক পরিবারের কাছে আবেদন বাংলাদেশে ধ্বংসপ্রাপ্ত শিক্ষক পরিবার উদ্ধার করুন।
লেখক: শিক্ষাবিদ
মশিউর রহমান