
জাতীয় সংসদে মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে নেই, এমন সংসদ সদস্যদের উত্থাপিত বিলকে বেসরকারি সদস্যদের বিল হিসেবে গণ্য করা হয়। স্বাধীনতার পর থেকে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ পর্যন্ত এ ধরনের মোট ৯টি বিল পাস হয়েছে বলে জানিয়েছে সংসদীয় কমিটি।
মঙ্গলবার (১২ মে) জাতীয় সংসদের ‘বেসরকারি সদস্যদের বিল ও বেসরকারি সদস্যদের সিদ্ধান্ত-প্রস্তাব’ সম্পর্কিত কমিটির প্রথম বৈঠকে এ তথ্য উপস্থাপন করা হয়।
কমিটির তথ্য অনুযায়ী, পাস হওয়া ৯টি বেসরকারি বিলের মধ্যে একটি ছিল বিরোধী দলের সংসদ সদস্যের উত্থাপিত, আর বাকি আটটি এসেছে ক্ষমতাসীন দল বা জোটের সংসদ সদস্যদের পক্ষ থেকে।
সূত্র জানায়, প্রথম, ষষ্ঠ এবং দ্বাদশ জাতীয় সংসদে কোনো বেসরকারি বিল উত্থাপন হয়নি। বিশেষ করে ষষ্ঠ সংসদের মেয়াদ ছিল মাত্র ১২ দিন, আর দ্বাদশ সংসদের মেয়াদ ছিল মাত্র কয়েক মাস।
বৈঠকে আরও জানানো হয়, বেসরকারি সদস্যদের বিল প্রণয়ন ও খসড়া তৈরিতে সহায়তা দিতে সংসদ সচিবালয়ের লেজিসলেটিভ ড্রাফটিং ইউনিটকে আরও সক্রিয় করার সুপারিশ করা হয়েছে।
কমিটির সভাপতি নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. শাহজাহান জানান, বেসরকারি সদস্যদের আইন প্রণয়নে অংশগ্রহণ আরও বাড়াতে প্রয়োজনীয় সহায়তা জোরদার করা হবে।
সংসদীয় নিয়ম অনুযায়ী, অধিবেশনের সাধারণত একটি দিন বেসরকারি সদস্যদের কাজের জন্য নির্ধারিত থাকে, যা ‘বেসরকারি দিবস’ নামে পরিচিত। তবে স্পিকার চাইলে এ দিন সরকারি কার্যক্রমেও ব্যবহার করা যায়।