
রাজধানীর সড়ক ও ফুটপাত দখল করে অনিয়ন্ত্রিতভাবে হকারি বন্ধে ধীরে ধীরে সব হকারকে নিবন্ধনের আওতায় আনার উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। নিবন্ধিত হকার ছাড়া কাউকে সড়ক বা ফুটপাতে বসতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
একই সঙ্গে হকারদের পুনর্বাসন ও শৃঙ্খলার মধ্যে আনতে এক সপ্তাহের মধ্যে উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ডিএসসিসির প্রশাসক আবদুস সালাম।
রোববার (৯ আগস্ট) সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের কবি কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে ‘হকার পুনর্বাসন ব্যবস্থাপনায় জাতীয় নীতিমালার বিকল্প নাই’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
আবদুস সালাম বলেন, “হকার সমস্যা দীর্ঘদিনের এবং এটি একদিনে সমাধান করার মতো বিষয় নয়। স্থায়ী সমাধানের জন্য হকারদের সহযোগিতা প্রয়োজন। তাদের পুনর্বাসনে বিভিন্ন সময়ে নানা উদ্যোগ নেওয়া হলেও কাঙ্ক্ষিত সমাধান হয়নি।”
তিনি বলেন, হকারদের পুনর্বাসন ও ব্যবস্থাপনায় প্রতি সপ্তাহে বিভিন্ন হকার সমিতির দুজন করে প্রতিনিধিকে নিয়ে বৈঠক করা হবে। আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার বাস্তবসম্মত সমাধানের পথ খোঁজা হবে।
ডিএসসিসির প্রশাসক আরও বলেন, হকারদের শৃঙ্খলার মধ্যে আনতে তালিকা প্রণয়ন ও নিবন্ধনের ব্যবস্থা করা হবে। নিবন্ধিত প্রত্যেক হকারকে আইডি কার্ড দেওয়া হবে। নিবন্ধনের বাইরে থাকা কেউ সড়ক বা ফুটপাতে বসতে পারবেন না।
হকারদের ব্যবসার সুযোগ করে দিতে হলিডে মার্কেট চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
সভায় বক্তারা বলেন, রাজধানীর ফুটপাত ও সড়কে হকারদের ব্যবসার বিষয়টি শুধু উচ্ছেদ করে সমাধান করা সম্ভব নয়। এর জন্য সুনির্দিষ্ট জাতীয় নীতিমালা, নিবন্ধন, পুনর্বাসন এবং বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা প্রয়োজন।
তারা বলেন, হকারদের জীবিকা নিশ্চিত করার পাশাপাশি নগরীতে পথচারীদের চলাচল ও যানবাহন ব্যবস্থাপনা স্বাভাবিক রাখতে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।