
খুলনায় ধান কাটাকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে নূর আলম (৫২) নামে একজন নিহত হয়েছেন এবং অন্তত ৪–৫ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকালে তেরখাদা উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত নূর আলম ওই গ্রামের ইকরাম শেখের ছেলে। আহতদের মধ্যে মো. হিজমুল্লাহ সোহেল রানা, নূরোল শেখ, মুসা শেখ, মফিজুর রহমান ও আলী হুসাইনসহ কয়েকজন রয়েছেন।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির দুইটি গ্রুপ সক্রিয় রয়েছে। একটির নেতৃত্বে আছেন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সাইফুল মোড়ল এবং অন্যটির নেতৃত্বে অ্যাডভোকেট শহীদুল ইসলাম। এলাকায় প্রভাব বিস্তার ও আসন্ন নির্বাচনী রাজনীতিকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল।
এর আগে রমজান মাসেও দুই পক্ষের মধ্যে একাধিক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে, যাতে একজন নিহত হন বলে স্থানীয়রা জানান। এ ঘটনায় একাধিক মামলাও রয়েছে।
সর্বশেষ শনিবার সকালে সাইফুল মোড়ল গ্রুপের কয়েকজন ধান কাটতে গেলে পথে শহীদুল ইসলাম পক্ষের লোকজন তাদের বাধা দেয়। এরপরই দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এতে কয়েকজন গুরুতর আহত হন এবং পরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে নূর আলম মারা যান।
তেরখাদা থানার ওসি মো. শহীদুল্লাহ বলেন, “পূর্ব বিরোধ ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।”
খুলনা জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা কাজ করছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।