
গাইবান্ধার সাঘাটায় শিবির নেতা সাইফুল্লাহ বারী হত্যা মামলার অভিযুক্তদের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এদিকে, হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে আশরাফ খন্দকার নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে মূল অভিযুক্ত মোকলেছুর রহমান মুকুল, পলাশসহ অন্যরা পলাতক রয়েছেন।
রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বাটি গ্রামে অভিযুক্তদের বাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। পরে সাঘাটা ফায়ার সার্ভিসের ২২ সদস্যের একটি দল প্রায় আড়াই ঘণ্টার চেষ্টায় রাত পৌনে ১০টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে সন্ধ্যায় স্থানীয় জামায়াত-শিবির বিক্ষোভ মিছিল বের করে। এতে নিহতের স্বজন ও বিক্ষুব্ধ জনতাও অংশ নেয়। পরে একপর্যায়ে অভিযুক্তদের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়।
সাঘাটা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন অফিসার তোফাজ্জাল হোসেন বলেন, ‘২২ সদস্যের একটি দল আড়াই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুনে প্রায় সাড়ে ৮ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে প্রায় ১৫ লাখ টাকার সম্পদ রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে।’
সাঘাটা থানার ওসি (তদন্ত) পবিত্র কুমার বলেন, ‘হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে আশরাফ খন্দকারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।’
এদিকে, হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ ও জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে রাতে গাইবান্ধা শহরে বিক্ষোভ মিছিল করেছে জেলা ইসলামী ছাত্রশিবির। সোমবার সকাল ১১টায় পৌরপার্ক থেকে আরও একটি বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, রোববার বিকেলে বোনারপাড়া বাজারের চারমাথা এলাকায় কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি নিয়ে বিরোধের জেরে ঘটনায় শিবির নেতা সাইফুল্লাহ বারী নিহত হন। একই ঘটনায় আহত সালাউদ্দিন বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।