.jpg)
ফিলিস্তিনি ইসলামপন্থী গোষ্ঠী হামাসকে শিগগিরই অস্ত্র সমর্পণের জন্য চূড়ান্ত সময়সীমা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরায়েল। সেই সাথে আন্তর্জাতিক শান্তি বাহিনী থাকলেও কিভাবে ইসরায়েলি বাহিনী হামলা করতে পারে এ বেপারে ইসরায়েলি অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোত্রিচ বলেন, “বিদেশি বাহিনী খুব দ্রুত সরে যাবে এবং আমাদের প্রবেশের সুযোগ দেবে। এটি মার্কিনদের সঙ্গে সমন্বিত।”
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম কানকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইসরায়েলের কট্টর-ডানপন্থী অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোত্রিচ এই তথ্য জানান। তিনি বলেন, “আমরা ধারণা করছি, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে হামাসকে নিরস্ত্রীকরণ ও গাজাকে সম্পূর্ণ সামরিকমুক্ত করার জন্য চূড়ান্ত আলটিমেটাম দেওয়া হবে।”
তিনি আরও জানান, “যদি তারা তা মান্য না করে, তাহলে আইডিএফ (ইসরায়েলি সেনাবাহিনী) নিজেই এটি বাস্তবায়ন করবে, যা আন্তর্জাতিক বৈধতা ও যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন পাবে। আইডিএফ ইতোমধ্যে এ বিষয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং পরিকল্পনা প্রণয়ন করছে।”
স্মোত্রিচ ইসরায়েলের নিরাপত্তা মন্ত্রিসভার সদস্য, যা বৃহৎ সামরিক অভিযান অনুমোদনের ক্ষমতা রাখে। মার্কিন পৃষ্ঠপোষকতায় গাজায় দুই বছরের লড়াই স্থগিত হওয়া যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী তথাকথিত ‘ইয়েলো লাইন’-এর পেছনে অবস্থান নিয়েছিল, তবে এখনো ভূখণ্ডের অর্ধেকের বেশি তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
গত মাসে দ্বিতীয় ধাপ শুরু হওয়ার পর ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ধীরে ধীরে প্রত্যাহার এবং হামাসের নিরস্ত্রীকরণের পরিকল্পনা নিয়েছে, যা সশস্ত্র গোষ্ঠীটি প্রত্যাখ্যান করেছে। স্মোত্রিচ বলেন, “হামাস বিলুপ্ত না হলে আমরা অবশ্যই গাজায় প্রবেশ করে এটি দখল করব।”
সেনাবাহিনী কীভাবে অভিযান চালাবে—এই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “এ মুহূর্তে আমরা দুই বা তিনটি বিকল্প পরীক্ষা করছি।”
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনায় গাজায় ২০ হাজার সদস্যের আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী (আইএসএফ) মোতায়েনের কথাও বলা হয়েছে, যেখানে কয়েকটি দেশ সেনা পাঠানোর অঙ্গীকার করেছে।
আইএসএফের বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে তিনি যোগ করেন, “তবে আমি এখনও তাদের এত দ্রুত প্রবেশ করতে দেখছি না।”