
রাতভর আকাশপথে পাল্টাপাল্টি হামলায় আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। দুই দেশের বিমান ও ড্রোন হামলায় উভয় পক্ষে অন্তত ৩ জন নিহত এবং ১০ জন আহত হয়েছেন।
ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের ব্রোভারি জেলায় রুশ হামলায় এক শিশুসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও তিনজন। দেশটির সিটি সামরিক প্রশাসনের প্রধান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। হামলার পর ধ্বংসাবশেষ পড়ে কয়েকটি বসতবাড়ি ও গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পাশাপাশি একটি অনাবাসিক ভবনে আগুন ধরে যায়।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও কিয়েভে হামলার কথা স্বীকার করেছে। তাদের দাবি, ইউক্রেনের সামরিক-শিল্প স্থাপনা ও জ্বালানি ডিপোকে লক্ষ্য করেই অভিযান চালানো হয়। একই সময়ে ওডেসার কাছাকাছি সাগরে ইউক্রেনীয় বন্দরে অস্ত্র পরিবহনকারী দুটি মালবাহী জাহাজেও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে বলে জানায় মস্কো।
এর জবাবে রাশিয়ার ভূখণ্ডে ড্রোন হামলা চালায় ইউক্রেন। ক্রাসনোদার অঞ্চলের ইলস্কি তেল শোধনাগারে ইউক্রেনীয় ড্রোন আঘাত হানলে সেখানে আগুন ধরে যায়। এ ঘটনায় পাঁচজন আহত হয়েছেন বলে ক্রাসনোদার অপারেশনাল হেডকোয়ার্টার জানিয়েছে।
এদিকে লিপেৎস্কের গভর্নর জানিয়েছেন, জাদোনস্ক শহরে একটি ড্রোন বিধ্বস্ত হয়ে দুইজন আহত হয়েছেন। এতে কয়েকটি বাড়িঘরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সামারা অঞ্চলের একটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানেও ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে নিশ্চিত করেছেন ওই অঞ্চলের গভর্নর ব্যাচেস্লাভ ফেদোরিশচেভ।
অন্যদিকে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবি, রাশিয়ার ভূখণ্ড, ক্রিমিয়া এবং আজভ সাগরের ওপর ইউক্রেনের ৩৯৭টি ড্রোন ভূপাতিত ও ধ্বংস করেছে তাদের বাহিনী।
তবে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে রাশিয়া ও ইউক্রেনের পক্ষ থেকে দেওয়া এসব দাবির স্বাধীন ও নিরপেক্ষ সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।