
ইরান যুদ্ধের প্রভাব এবং জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির চাপ থাকা সত্ত্বেও ২০২৬ সালের বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস সামান্য বাড়িয়েছে অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থা (ওইসিডি)।
সংস্থাটির সর্বশেষ পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি বছর বিশ্ব অর্থনীতি ২ দশমিক ৯ শতাংশ হারে সম্প্রসারিত হতে পারে। গত জুনে দেওয়া পূর্বাভাসে প্রবৃদ্ধির হার ২ দশমিক ৮ শতাংশ ধরা হয়েছিল। অর্থাৎ আগের হিসাবের চেয়ে নতুন পূর্বাভাস ০ দশমিক ১ শতাংশ পয়েন্ট বেশি।
ওইসিডির হিসাবে, গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানে হামলা শুরু করার পর বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। তবে একই সময়ে শেয়ারবাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় থাকা এবং ঋণ পাওয়ার সুযোগ অব্যাহত থাকায় বৈশ্বিক আর্থিক পরিবেশ এখনো তুলনামূলক সহায়ক অবস্থায় রয়েছে।
সংস্থাটির ত্রৈমাসিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পর্যাপ্ত পরিমাণে তেলের মজুত থাকায় যুদ্ধের প্রভাব কিছুটা সামাল দেওয়া সম্ভব হয়েছে। এর পাশাপাশি উপসাগরীয় অঞ্চলের বাইরে থেকে অতিরিক্ত জ্বালানি সরবরাহ এবং বিভিন্ন দেশের সরকারি সহায়তা কর্মসূচিও বিশ্ব অর্থনীতিতে সংঘাতের নেতিবাচক প্রভাব কমাতে ভূমিকা রেখেছে।
তবে ২০২৫ সালের তুলনায় চলতি বছরের প্রবৃদ্ধি উল্লেখযোগ্যভাবে কম থাকবে। গত বছর বৈশ্বিক অর্থনীতি ৩ দশমিক ৪ শতাংশ হারে বেড়েছিল বলে জানিয়েছে ওইসিডি।
এদিকে, আগামী বছর অর্থাৎ ২০২৭ সালের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাসও সংশোধন করেছে সংস্থাটি। আগের হিসাবের চেয়ে ০ দশমিক ১ শতাংশ পয়েন্ট কমিয়ে আগামী বছরের বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি ৩ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।