
হাজার মাসের চেয়েও শ্রেষ্ঠ একটি রাত ‘লাইলাতুল কদর। কেউ কেউ এ রাতকে শবে কদর হিসেবে জানে। এ রাতের যে কোনো আমলই হাজার মাসের আমল থেকে শ্রেষ্ঠ। এ জন্য রাতটি মর্যাদার বা সৌভাগ্যের।
তাইতো মহান আল্লাহ এ রাতটিকে ‘লাইলাতুল কদর’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। কদর নামে একটি সুরা নাজিল করেছেন। এ রাতের রয়েছে বিশেষ কিছু আমল। কী সেই সব আমল?
শবে কদরের আমল
লাইলাতুল কদর পেলে এ আমলে রাত অতিবাহিত করা যেতে পারে। তাহলো—
১. নফল নামাজ পড়া।
২. মসজিদে ঢুকেই ২ রাকাত (দুখুলিল মাসজিদ) নামাজ পড়া।
৩. দুই দুই রাকাত করে (মাগরিবের পর ৬ রাকাআত) আউওয়াবিনের নামাজ পড়া।
৪. রাতে তারাবিহ নামাজ পড়া।
৫. শেষ রাতে সেহরির আগে তাহাজ্জুদ নামাজ পড়া।
৬. সম্ভব হলে সালাতুত তাসবিহ পড়া।
৭. সম্ভব হলে তাওবার নামাজ পড়া।
৮. সম্ভব হলে সালাতুল হাজাত পড়া।
৯. সম্ভব হলে সালাতুশ শোকর ও অন্যান্য নফল নামাজ বেশি বেশি পড়া।
১০. কুরআনের এ সুরাগুলো তিলাওয়াত করা— সুরা কদর, সুরা দুখান, সুরা মুয্যাম্মিল, সুরা মুদ্দাসির, সুরা ইয়াসিন, সুরা ত্বহা, সুরা আর-রাহমান, সুরা ওয়াকিয়া, সুরা মুলক, সুরা কুরাইশ এবং ৪ কুল পড়া।
১১. দরূদ শরিফ পড়া।
১২. তাওবাহ-ইসতেগফার পড়া। সাইয়্যেদুল ইসতেগফার পড়া।
১৩. জিকির-আজকার করা।
১৪. কুরআন-সুন্নায় বর্ণিত দোয়া পড়া।
১৫. পরিবার পরিজন, বাবা-মা ও মৃতদের জন্য দোয়া করা।
বিশেষ করে—
১৬. পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের কাজা পড়া। অর্থাৎ বিগত জীবনে কাজা হয়েছে তা পূরণের নিয়তে ফজর, জোহর, আসর, মাগরিব ও এশার নামাজ কাজা আদায় করা। হতে পারে মহান আল্লাহ বিগত জীবনের সব কাজা নামাজগুলো কবুল করে নেবেন।