
জিম্বাবুয়ে সফরে আর ভুলের সুযোগ নেই বাংলাদেশের। সিরিজে টিকে থাকতে হলে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জয়ের বিকল্প নেই টাইগারদের। প্রথম ম্যাচে হারের পর সমতা ফেরানোর লক্ষ্য নিয়েই আবারও স্বাগতিকদের বিপক্ষে মাঠে নামছে বাংলাদেশ।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) বুলাওয়ের কুইন্স স্পোর্টস ক্লাবে বাংলাদেশ সময় বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটে শুরু হবে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি।
এই সফরে প্রত্যাশার ঠিক উল্টো চিত্র দেখেছে বাংলাদেশ। ফেভারিট হিসেবে সফর শুরু করলেও একমাত্র টেস্টে ইনিংস ও ৮৫ রানের বড় ব্যবধানে হারে টাইগাররা। এরপর তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজও ২-১ ব্যবধানে হাতছাড়া হয়।
টি-টোয়েন্টি সিরিজ ছিল সফর থেকে ইতিবাচক কিছু নিয়ে ফেরার শেষ সুযোগ। কিন্তু প্রথম ম্যাচেও ৩২ রানের পরাজয়ে চাপে পড়ে যায় তাওহিদ হৃদয়ের দল।
আজকের ম্যাচেও হারলে টেস্ট, ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি—তিন ফরম্যাটেই সিরিজ হারার তিক্ত অভিজ্ঞতা নিয়ে দেশে ফিরতে হবে বাংলাদেশকে। জিম্বাবুয়ের মাটিতে এমন ফলাফল টাইগারদের জন্য হতাশাজনক অধ্যায় হয়ে থাকবে। তাই আগের ম্যাচের ভুল শুধরে সিরিজে সমতা ফেরাতে মরিয়া সফরকারীরা।
গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচের আগে বাংলাদেশের সিনিয়র সহকারী কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বলেন, ‘আমরা প্রতি ম্যাচ জয়ের জন্য খেলতে নামি। তবে নির্দিষ্ট কিছু বোলারের বিপক্ষে আমাদের ব্যাটারদের আরও কৌশলগত উন্নতি করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বারবার একই ভুল করছি। কিন্তু ভুল করার পরও আমরা শিখছি না। আমাদের পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে।’
দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশ একাদশে একটি পরিবর্তন আনতে পারে। অলরাউন্ডার মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত সুযোগ পেতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, প্রথম ম্যাচে জয় এনে দেওয়া একই একাদশ ধরে রাখতে পারে জিম্বাবুয়ে। আজও জিততে পারলে এক ম্যাচ হাতে রেখেই টি-টোয়েন্টি সিরিজ নিজেদের করে নেবে স্বাগতিকরা।
পরিসংখ্যান অবশ্য বাংলাদেশের পক্ষেই কথা বলে। দুই দলের ২৫টি টি-টোয়েন্টি লড়াইয়ে টাইগারদের জয় ১৭টি, জিম্বাবুয়ের ৯টি। তবে বাংলাদেশের বিপক্ষে এখন পর্যন্ত মাত্র একবারই টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতেছে জিম্বাবুয়ে। ২০২২ সালে নিজেদের মাঠে তিন ম্যাচের সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জিতেছিল স্বাগতিকরা।