
অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ও সম্পদ দেশে ফিরিয়ে আনতে ৩০টি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যাংক উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এ লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক আইনি প্রতিষ্ঠানের সহায়তায় সম্পদ শনাক্ত ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
বুধবার (২৪ জুন) জাতীয় সংসদে কুড়িগ্রাম-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. আনোয়ারুল ইসলামের লিখিত প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার বিষয়টি একটি দেওয়ানি প্রক্রিয়ার আওতায় পরিচালিত হচ্ছে। খেলাপি ঋণ পুনরুদ্ধার এবং বিদেশে সরিয়ে নেওয়া সম্পদ শনাক্ত করতে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলো ইতোমধ্যে নয়টি আন্তর্জাতিক আইনি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে গোপনীয়তা চুক্তি (এনডিএ) স্বাক্ষর করেছে। ‘নো উইন, নো ফি’ ভিত্তিতে এসব প্রতিষ্ঠানকে নিয়োগের প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী জানান, আন্তর্জাতিক আইনি প্রতিষ্ঠানগুলো অভিযুক্ত ঋণখেলাপিদের বিদেশে থাকা অর্থ ও সম্পদের অবস্থান শনাক্ত করবে এবং সেগুলো দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তা দেবে।
তিনি আরও জানান, প্রথম ধাপে ছয়টি বহুল আলোচিত মামাকে কেন্দ্র করে এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সাইফুজ্জামান চৌধুরী, এস আলম গ্রুপ, বেক্সিমকো গ্রুপ, সিকদার গ্রুপ, নাসা গ্রুপ এবং ওরিয়ন গ্রুপ-সংশ্লিষ্ট মামলা।
পাচার হওয়া অর্থ পুনরুদ্ধারে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আইনি পদক্ষেপ জোরদার করার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যাংকগুলোর স্বার্থ সুরক্ষায় সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও সংসদকে জানান অর্থমন্ত্রী।