
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, একসময় দেশের টেক্সটাইল শিল্পে ভারত ও শ্রীলঙ্কার পেশাজীবীদের ওপর নির্ভর করতে হতো। সেই পরনির্ভরশীলতা কাটিয়ে উঠতে দেশীয় দক্ষ জনবল গড়ে তোলার বিকল্প নেই। এজন্য সঠিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দেশের জনসংখ্যাকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি আরও বলেন, আগামী দিনে টেক্সটাইল খাত দেশের সবচেয়ে সম্ভাবনাময় ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী অন্যতম শিল্পে পরিণত হবে। তাই গবেষণা, প্রযুক্তির ব্যবহার, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং দক্ষ টেক্সটাইল প্রকৌশলী তৈরিতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।
অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী জানান, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের বিসিএস ক্যাডারে অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে উত্থাপন করা হবে। পাশাপাশি ডিপ্লোমা টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য দুটি কলেজ প্রতিষ্ঠার ঘোষণাও দেন তিনি।
শিক্ষাব্যবস্থা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এসএসসি, এইচএসসি ও স্নাতক পর্যায়ের পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই অনুষ্ঠিত হবে এবং এ বিষয়ে কোনো জটিলতা থাকবে না। এছাড়া ২০২৭ সালে জাতীয় শিক্ষাক্রম পরিমার্জন এবং ২০২৮ সালে নতুন কারিকুলাম প্রণয়ন করা হবে বলেও জানান শিক্ষামন্ত্রী।