
বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালের আগে সবচেয়ে জমজমাট লড়াই এখন গোল্ডেন বুট নিয়ে। সাত গোল করে এখনো সামান্য সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছেন ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে। তবে সমান সাত গোল নিয়ে তার কাঁধে নিঃশ্বাস ফেলছেন আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি ও নরওয়ের আর্লিং হলান্ড। ফলে সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার জিততে শেষ পর্যন্ত অ্যাসিস্ট ও মাঠে খেলার সময়ও বড় ভূমিকা রাখতে পারে।
সোমবার (৬ জুলাই) ব্রাজিলের বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচে জোড়া গোল করে নরওয়েকে ২-১ ব্যবধানে ঐতিহাসিক জয় এনে দেন হলান্ড। তার এই দুই গোলেই টুর্নামেন্টে গোলসংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় সাতে। একই সঙ্গে বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠে নরওয়ে। হলান্ডের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে গোল্ডেন বুটের লড়াইও নতুন মোড় নিয়েছে।
এখন গোলের হিসাবে এমবাপ্পে, মেসি ও হলান্ড সমান অবস্থানে থাকলেও ফিফার নিয়ম অনুযায়ী সমান গোল হলে আগে বিবেচনা করা হবে অ্যাসিস্ট। সেই হিসেবে দুই অ্যাসিস্ট থাকায় এমবাপ্পে এগিয়ে আছেন। মেসি ও হলান্ডের অ্যাসিস্ট না থাকায় আপাতত তারা দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন। এরপরও যদি সমতা থাকে, তাহলে কম সময় মাঠে খেলা ফুটবলারকে এগিয়ে রাখা হবে।
লড়াই থেকে অবশ্য ছিটকে যাননি ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেইনও। মেক্সিকোর বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচে পেনাল্টি থেকে গোল করে তিনি টুর্নামেন্টে নিজের গোলসংখ্যা ছয়ে উন্নীত করেছেন। একটি অ্যাসিস্টও রয়েছে তার। কোয়ার্টার ফাইনালে আরেকটি বড় ম্যাচ অপেক্ষা করছে কেইনের জন্য, যেখানে গোল করলে তিনিও সহজেই শীর্ষে উঠে যেতে পারেন।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে গোল্ডেন বুটের লড়াই অনেকবারই শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত গড়িয়েছে। তবে এবার একই সময়ে তিন তারকা সমান গোল নিয়ে এবং আরেকজন মাত্র এক গোল পিছিয়ে থাকায় প্রতিযোগিতা পেয়েছে ভিন্ন মাত্রা। কোয়ার্টার ফাইনাল, সেমিফাইনাল ও ফাইনালের বাকি ম্যাচগুলোই ঠিক করে দেবে, শেষ পর্যন্ত সর্বোচ্চ গোলদাতার সোনালি বুট কার পায়ে উঠবে।