
প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য সামাজিক সুরক্ষা জোরদারে বড় পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে সরকার। পরীক্ষামূলকভাবে দেশের ১৩টি উপজেলায় চালু হচ্ছে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি, যা ভবিষ্যতে সারাদেশে সম্প্রসারণের ভিত্তি তৈরি করবে।
রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ফ্যামিলি কার্ড সংক্রান্ত কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। বৈঠকে জানানো হয়, প্রাথমিক পরিকল্পনায় দুটি উপজেলায় পাইলট প্রকল্প চালুর কথা থাকলেও তা বাড়িয়ে ১৩টি উপজেলার ১৩টি ওয়ার্ডে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
প্রথম ধাপে যেসব এলাকায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে বনানীর কড়াইল বস্তি, পাংশা, পতেঙ্গা, বাঞ্ছারামপুর, লামা, খালিশপুর, চরফ্যাশন, দিরাই, ভৈরব, বগুড়া সদর, লালপুর, ঠাকুরগাঁও এবং নবাবগঞ্জ।
এ উদ্যোগ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ একটি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করেছে। কর্মসূচির আওতায় নির্বাচিত পরিবারগুলোকে হতদরিদ্র, দরিদ্র, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত এই চার শ্রেণিতে বিভক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রকল্প বাস্তবায়নে দ্রুততা আনতে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে উপকারভোগীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত অনুদানের অর্থ সরাসরি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ব্যাংক হিসাব অথবা মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে পৌঁছে দেওয়া হবে বলে বৈঠকে জানানো হয়।