
ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের সঙ্গে সংঘাতের মধ্যে সৌদি আরবকে সামরিক সহায়তা দিতে তুরস্ক ও পাকিস্তানের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার হোয়াইট হাউস ছাড়ার আগে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, দেশ দুটি সৌদিকে সহায়তা করতে চায় এবং তিনি এটিকে ভালো উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন।
মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় সৌদি আরবকে সহায়তার বিষয়ে গত সোমবার রিয়াদে জরুরি বৈঠক করে তুরস্ক, পাকিস্তান ও সৌদি আরব। বৈঠকে সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা জোরদার এবং প্রয়োজনীয় সামরিক সদস্য ও সরঞ্জাম দ্রুত মোতায়েনের বিষয়ে সম্মত হয় তিন দেশ।
Reuters জানিয়েছে, তুরস্ক ইতোমধ্যে সৌদি আরবকে সামরিক সরঞ্জাম, গোয়েন্দা সহায়তা, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ড্রোন অপারেটর ও লজিস্টিক সহায়তা দিচ্ছে। তবে চুক্তিটি এখনো তুরস্কের পার্লামেন্টে অনুমোদিত হয়নি।
তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানসহ দেশটির শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তারা সৌদি কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করছেন। অন্যদিকে পাকিস্তানও সৌদি আরবের প্রতিরক্ষায় নিজেদের ভূমিকা জোরদার করছে। তবে পাকিস্তানি কর্মকর্তারা তাদের ভূমিকার প্রকৃতিকে মূলত প্রতিরক্ষামূলক হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুযায়ী, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর হামলাকে তিন দেশের সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করার নীতি রয়েছে। সাম্প্রতিক হুথি হামলার পর প্রথমবারের মতো এই চুক্তির আওতায় সম্মিলিত প্রতিরোধ ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়েছে।
এদিকে ইয়েমেনে সৌদি-সমর্থিত সরকারি বাহিনী ও হুথিদের মধ্যে সংঘাত তীব্র হয়েছে। সৌদি আরবের বিমানবন্দর ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হুথিদের হামলার পাশাপাশি ইয়েমেনের বিভিন্ন এলাকায় সৌদি নেতৃত্বাধীন বাহিনীর পাল্টা হামলা চলছে। বুধবারের হামলায় সৌদির দুটি বিমানবন্দরে হতাহতের ঘটনাও ঘটেছে বলে Reuters জানিয়েছে।