
চার দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের পর্দা উঠল রাজধানীতে, উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রোববার (৩ মে) সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এ সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তিনি। এর আগে সকাল ১০টা ২০ মিনিটের দিকে বাংলাদেশ সচিবালয়ে নিজের দফতর থেকে হেঁটে অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী।
পথে দু’পাশে দাঁড়িয়ে থাকা সাধারণ মানুষ তাকে শুভেচ্ছা জানান। প্রধানমন্ত্রীও হাত নেড়ে তাদের অভিনন্দনের জবাব দেন। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সম্মেলনে উপস্থিত রয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ, প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারসহ দেশের সব জেলা প্রশাসক। এতে মাঠ প্রশাসনের উদ্দেশে সরকারের নীতিনির্ধারকেরা তাদের দৃষ্টিভঙ্গি ও করণীয় তুলে ধরছেন। বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই প্রথম ডিসি সম্মেলন।
এর আগে শনিবার বিকেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব হুমায়ুন কবির জানান, এবারের সম্মেলন চার দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এতে মোট ৩৪টি অধিবেশন রয়েছে—এর মধ্যে ৩০টি কার্য অধিবেশন এবং অংশগ্রহণকারী মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সংখ্যা ৫৬টি।
তিনি আরও জানান, বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের পক্ষ থেকে ৪৯৮টি প্রস্তাব উপস্থাপন করা হবে এবং দেশের সব জেলা প্রশাসক এতে অংশ নিচ্ছেন। পাশাপাশি ৫৬টি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা নিজ নিজ খাত সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেবেন।
হুমায়ুন কবির বলেন, ‘আমরা মাঠ প্রশাসন থেকে এবার ১ হাজার ৭২৯টি প্রস্তাব পেয়েছি। এর মধ্যে কার্যপত্রে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে ৪৯৮টি। সবচেয়ে বেশি প্রস্তাব এসেছে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ সম্পর্কিত।’
সম্মেলনের আলোচ্যসূচিতে ভূমি ব্যবস্থাপনা, আইন-শৃঙ্খলা, স্থানীয় সরকার, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, কর্মসংস্থান, সামাজিক নিরাপত্তা, ই-গভর্নেন্স, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, পরিবেশ সংরক্ষণ, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রমের তদারকি বিষয়গুলো গুরুত্ব পাচ্ছে।