
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) নির্বাচনে মেয়র পদে ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েমকে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করার পথে রয়েছে জামায়াতে ইসলামী। দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের বৈঠকে তাঁকে প্রার্থী হিসেবে নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এখন সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম মজলিসে শূরার আনুষ্ঠানিক অনুমোদনের অপেক্ষা।
দলীয় সূত্র বলছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে রাজধানীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এই সিটিতে তরুণ নেতৃত্বকে সামনে আনার কৌশল নিয়েছে জামায়াত। সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি (ভিপি) মো. আবু সাদিক, যিনি রাজনৈতিক অঙ্গনে সাদিক কায়েম নামে পরিচিত, তাঁকে মেয়র পদে মনোনয়ন দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
গত বছরের সেপ্টেম্বরে ডাকসুর ভিপি নির্বাচিত হন সাদিক কায়েম। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় তিনি জামায়াতের প্রার্থীদের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় সক্রিয় ছিলেন। পরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে গত ১৩ জুলাই ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক সম্পাদকের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ান। দলীয় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, ছাত্রসংগঠনের দায়িত্বে থাকা অবস্থায় কোনো সদস্য নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন না।
এর আগে গত ১ মে রাজধানীতে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের কর্মী সম্মেলনেও সাদিক কায়েমকে সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী হিসেবে সামনে আনা হয়। পরে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের বৈঠকে তাঁর প্রার্থিতা নীতিগতভাবে অনুমোদন পায়।
জামায়াতের নেতারা মনে করছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নতুন প্রজন্মের নেতৃত্বকে সামনে আনার পাশাপাশি রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সিটিতে একটি পরিচিত তরুণ মুখকে মাঠে নামানো দলটির দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক কৌশলের অংশ। যদিও নির্বাচন কমিশন এখনো স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেনি, সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে প্রস্তুতি শুরু করেছে রাজনৈতিক দলগুলো।